Swimming Pool

[Swimming Pool][pvid]

Garden Flower

[Garden Flower][pvid]
Showing posts with label Salat Food. Show all posts
Showing posts with label Salat Food. Show all posts
Ok so I am starting with a super healthy one but you can’t get much better than a green smoothie for breakfast. Quick to make and transportable, they are ideal if you’re in a rush and help you get those all important leafy green vegetables into your diet.
There are tons of green smoothie recipes about, a simple one I tend to go for is two handfuls of spinach, a banana, a handful of blueberries and tablespoon of ground flaxseed, topped up with filtered water. Just whiz up the ingredients in a blender, pour into a suitable container and you’re good to go. I have a nutribullet where the cup is actually part of the blender so after blending, you just detach it and pop on the lid which is great as it minimises the washing up!
There are so many combinations of leafy greens, fruits and additional ingredients like nuts, seeds, superfood powders, the green smoothie possibilities are endless!

Yoghurt with toppings

Some organic, Greek style, natural yoghurt makes a lovely breakfast, served with all manner of yummy toppings (I love the Yeo Valley or Rachel’s brands). Fresh fruit, chopped nuts, seeds, honey, maple syrup, cacao powder/nibs, oats, cinnamon, whatever you like (as long as it’s healthy of course!).
This is so quick and easy to prepare and can be done the night before then easily transported.
Avoid anything flavoured or labelled low fat as these are likely to contain some sort of sugar or other nasty ingredients.

Green smoothie

Ok so I am starting with a super healthy one but you can’t get much better than a green smoothie for breakfast. Quick to make and transportable, they are ideal if you’re in a rush and help you get those all important leafy green vegetables into your diet.
There are tons of green smoothie recipes about, a simple one I tend to go for is two handfuls of spinach, a banana, a handful of blueberries and tablespoon of ground flaxseed, topped up with filtered water. Just whiz up the ingredients in a blender, pour into a suitable container and you’re good to go. I have a nutribullet where the cup is actually part of the blender so after blending, you just detach it and pop on the lid which is great as it minimises the washing up!
There are so many combinations of leafy greens, fruits and additional ingredients like nuts, seeds, superfood powders, the green smoothie possibilities are endless!

Yoghurt with toppings

Some organic, Greek style, natural yoghurt makes a lovely breakfast, served with all manner of yummy toppings (I love the Yeo Valley or Rachel’s brands). Fresh fruit, chopped nuts, seeds, honey, maple syrup, cacao powder/nibs, oats, cinnamon, whatever you like (as long as it’s healthy of course!).
This is so quick and easy to prepare and can be done the night before then easily transported.
Avoid anything flavoured or labelled low fat as these are likely to contain some sort of sugar or other nasty ingredients.

Cube steaks are inexpensive, and they're a great way to make midweek steak dinners doable. A cube steak needs little more than salt and pepper and a quick spin on the grill before it's ready to be served alongside grilled corn and vinaigrette-coated veggies........

Grilled Steak with Greek Corn Salad

Cube steaks are inexpensive, and they're a great way to make midweek steak dinners doable. A cube steak needs little more than salt and pepper and a quick spin on the grill before it's ready to be served alongside grilled corn and vinaigrette-coated veggies........

Healthy fast food? Yes, it's possible! These quick and easy healthy dinners from Food Network are on the table in no time.

Healthy Dinners in 40 Minutes or Less

Healthy fast food? Yes, it's possible! These quick and easy healthy dinners from Food Network are on the table in no time.

যে সকল মানুষ ডায়াবেটিস এর সাথে লড়াই করে বেঁচে আছেন, তাদেরকে অনেক বার শুনতে হয়েছে যে, ডায়াবেটিস কখনও নিরাময় হয় না। আধুনিক ঔষধ বিভিন্ন ধরণের মরণব্যাধি নিরাময় করতে সক্ষম। কিন্তু, এত ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি থাকা সত্ত্বেও এখনো ডায়াবেটিস সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করার ঔষধ তৈরিতে সক্ষম হয় নি।
এ সকল তথ্য এখন সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। ডাক্তার ডেভিড পিয়ারসন একজন বিখ্যাত ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ । তিনি ডায়াবেটিসের কারনে তার বাবার মৃত্যুর পর এই অসুস্থতাকে বুঝার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেন।
তার গবেষণায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানা যায়। তিনি খুঁজে পান যে-
১. অগ্ন্যাশয়ই একমাত্র অঙ্গ নয় যা ইনসুলিনের পরিমাণ হ্রাস করে।
২. লিভার এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে যার নাম- IGF (Insulin Growth Factor) ইনসুলিনের বৃদ্ধি ফ্যাক্টর।
৩. IGF শরীরের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিনের মত কাজ করে।
৪. IGF ব্যবহার করে খুব সহজেই এবং অল্প খরচে ডায়াবেটিস নিরাময় করা যায়।
৫. ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আসলে এই নিরাময় সম্পর্কে জানত।
ডাক্তার পিয়ারসন এর তথ্যমতে, বিগ ফার্মা এই নিরাময় জ্ঞান সম্পর্কে জানার পরও এই তথ্যটি গোপন করে রাখে। কারন তারা জানেন, এর ফলে তাদের কোন লাভ হবে না। এর পরিবর্তে তারা দামী ঔষধ বিক্রয় করে লাভ করছে এবং অসংখ্য মানুষকে মৃত্যুর মুখে পতিত করছে।
সুতরাং, এভাবেই সকল কার্যক্রম শুরু থেকে চলে আসছে।
# ইনসুলিন সম্পর্কে মিথ্যা:
বছরের পর বছর মেডিকেল শিল্প বলেছেন, গ্লুকোজ অগ্ন্যাশয় এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই, টাইপ ১ এর ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগের সাথে সারাজীবন বসবাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়।
কিন্তু, শুধুমাত্র ইনসুলিনের মাধ্যমে আপনার শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।
IGF লিভারে তৈরি হয় এবং এটি অবিশ্বাস্যভাবে কার্যকরী। ডাক্তার পিয়ারসন এই ইনসুলিনকে আরও ১০০ গুণ শক্তিশালী বলে খুঁজে পেয়েছেন।
আরও উল্লেখযোগ্য হল আপনার শরীরের স্বাভাবিক IGF এর মাত্রা বৃদ্ধি করা সহজ। এর জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোন দামী ঔষধের প্রয়োজন নেই। আপনি সুস্বাদুভাবে এসকল খাবার খেতে পারেন।
# শ্রেষ্ঠ অংশ:
ডাক্তার পিয়ারসন এর নতুন আবিষ্কার মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে কাজ করে। তার শেকস মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের রোগীদের আরোগ্য করে।
# নিরাময়টি বোঝা:
এই নতুন আবিষ্কারটি অনেক সহজ, প্রাকৃতিক এবং খরচ কম। তাই, যে কেউ এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
এটা লিভারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা উন্নত করে যাতে IGF এর মাত্রা সঠিক থাকে। ডাক্তার পিয়ারসন যে খাবার রোগীদের দিয়েছেন তা খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং এর স্বাদও অনেক ভাল।
রক্ত পরীক্ষা, ঔষধ ও ডাক্তারের ভিজিট করে টাকা দেয়ার চক্র অবশেষে ভঙ্গ করতে পারেন।
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো ডঃ পিয়ারসন কে মানুষের কাছে এ ঔষধ সম্পর্কে না জানানোর জন্য অনেকভাবে থামাতে চেষ্টা করেছেন। তারা যদি সফল হয়ে যান, তাহলে অনেক মানুষ কখনোই এই ডায়াবেটিসের ভয়ংকর ফাঁদ থেকে বের হতে পারবেন না।–সূত্র: ফাইট ডায়াবেটিস ।
সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জোহুরা।

সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করা যায় ‘ডায়াবেটিস

যে সকল মানুষ ডায়াবেটিস এর সাথে লড়াই করে বেঁচে আছেন, তাদেরকে অনেক বার শুনতে হয়েছে যে, ডায়াবেটিস কখনও নিরাময় হয় না। আধুনিক ঔষধ বিভিন্ন ধরণের মরণব্যাধি নিরাময় করতে সক্ষম। কিন্তু, এত ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি থাকা সত্ত্বেও এখনো ডায়াবেটিস সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করার ঔষধ তৈরিতে সক্ষম হয় নি।
এ সকল তথ্য এখন সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। ডাক্তার ডেভিড পিয়ারসন একজন বিখ্যাত ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ । তিনি ডায়াবেটিসের কারনে তার বাবার মৃত্যুর পর এই অসুস্থতাকে বুঝার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেন।
তার গবেষণায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানা যায়। তিনি খুঁজে পান যে-
১. অগ্ন্যাশয়ই একমাত্র অঙ্গ নয় যা ইনসুলিনের পরিমাণ হ্রাস করে।
২. লিভার এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে যার নাম- IGF (Insulin Growth Factor) ইনসুলিনের বৃদ্ধি ফ্যাক্টর।
৩. IGF শরীরের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিনের মত কাজ করে।
৪. IGF ব্যবহার করে খুব সহজেই এবং অল্প খরচে ডায়াবেটিস নিরাময় করা যায়।
৫. ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আসলে এই নিরাময় সম্পর্কে জানত।
ডাক্তার পিয়ারসন এর তথ্যমতে, বিগ ফার্মা এই নিরাময় জ্ঞান সম্পর্কে জানার পরও এই তথ্যটি গোপন করে রাখে। কারন তারা জানেন, এর ফলে তাদের কোন লাভ হবে না। এর পরিবর্তে তারা দামী ঔষধ বিক্রয় করে লাভ করছে এবং অসংখ্য মানুষকে মৃত্যুর মুখে পতিত করছে।
সুতরাং, এভাবেই সকল কার্যক্রম শুরু থেকে চলে আসছে।
# ইনসুলিন সম্পর্কে মিথ্যা:
বছরের পর বছর মেডিকেল শিল্প বলেছেন, গ্লুকোজ অগ্ন্যাশয় এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই, টাইপ ১ এর ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগের সাথে সারাজীবন বসবাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়।
কিন্তু, শুধুমাত্র ইনসুলিনের মাধ্যমে আপনার শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।
IGF লিভারে তৈরি হয় এবং এটি অবিশ্বাস্যভাবে কার্যকরী। ডাক্তার পিয়ারসন এই ইনসুলিনকে আরও ১০০ গুণ শক্তিশালী বলে খুঁজে পেয়েছেন।
আরও উল্লেখযোগ্য হল আপনার শরীরের স্বাভাবিক IGF এর মাত্রা বৃদ্ধি করা সহজ। এর জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোন দামী ঔষধের প্রয়োজন নেই। আপনি সুস্বাদুভাবে এসকল খাবার খেতে পারেন।
# শ্রেষ্ঠ অংশ:
ডাক্তার পিয়ারসন এর নতুন আবিষ্কার মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে কাজ করে। তার শেকস মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের রোগীদের আরোগ্য করে।
# নিরাময়টি বোঝা:
এই নতুন আবিষ্কারটি অনেক সহজ, প্রাকৃতিক এবং খরচ কম। তাই, যে কেউ এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
এটা লিভারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা উন্নত করে যাতে IGF এর মাত্রা সঠিক থাকে। ডাক্তার পিয়ারসন যে খাবার রোগীদের দিয়েছেন তা খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং এর স্বাদও অনেক ভাল।
রক্ত পরীক্ষা, ঔষধ ও ডাক্তারের ভিজিট করে টাকা দেয়ার চক্র অবশেষে ভঙ্গ করতে পারেন।
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো ডঃ পিয়ারসন কে মানুষের কাছে এ ঔষধ সম্পর্কে না জানানোর জন্য অনেকভাবে থামাতে চেষ্টা করেছেন। তারা যদি সফল হয়ে যান, তাহলে অনেক মানুষ কখনোই এই ডায়াবেটিসের ভয়ংকর ফাঁদ থেকে বের হতে পারবেন না।–সূত্র: ফাইট ডায়াবেটিস ।
সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জোহুরা।

কম ক্যালরি যুক্ত গাজরের হালুয়া

মিষ্টি খাবার খাওয়ার প্রবণতা কম বেশি সবার মাঝেই থাকে| তাই, মিষ্টি খাবার খাওয়ার ইচ্ছা আমাদের প্রায়ই হয়ে থাকে| ঘন ঘন মিষ্টি খাবার খেলে ওজন তো বাড়বেই, সেই সাথে ওজন সম্পর্কিত অন্যান্য অসুখও হতে পারে| সাধারণত: আমরা বাড়িতে যে রকম গাজরের হালুয়া খাই, তাতে অনেক ক্যালরি থাকে| একবারে এত ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়া ঠিক নয়|
তাছাড়া সাধারণত: চিনির কোনো দরকার আমাদের শরীরে নেই| তাই যখন আপনাদের মিষ্টি খাবার খেতে ইচ্ছা করবে তখন এই মজাদার গাজরের হালুয়া  খেয়ে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা মেটাতে পারেন| এতে করে আপনার ওজনের সমস্যা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা, যেমন: ডায়বেটিস বাড়ার সম্ভাবনা নেই|
গাজর একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি| এতে আছে ভিটামিন এ , সি, ডি, কে, বি১, বি৬, লাইকোপেন, বিটা ও গামা ক্যারোটিন, মিনারেল, চিনি, biotin, potassium,  calcium, magnesium, phosphorus, organic sodium,ফাইবার, ও anti oxidants| তাই গাজর আমাদের স্বাস্থের জন্য,  আমাদের ত্বক ও চোখের জন্য খুবই ভালো||  ক্যান্সার প্রতিরোধ করা ছাড়াও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও রোগ সারাতেও গাজর ভূমিকা রাখে|
দুধ দেবার ফলে এতে থাকছে ক্যালসিয়াম, আমিষ| বাদাম থেকেও পাওয়া যাবে আমিষ, ফাইবার, Anti-oxidants, ওমেগা ৩| কিশমিশেও আছে অনেক ভিটামিন, ও ফাইবার|
সাধারণত: আমরা চিনি, ফ্যাট যুক্ত দুধ, মাওয়া  ও ঘি দিয়ে উচ্চ ক্যালরি ও ফ্যাট যুক্ত গাজরের হালুয়া খাই| কিন্তু এই রেসিপিতে কম ফ্যাট বা ননী বিহীন দুধ ব্যবহার করা হয়েছে, তাছাড়া চিনির পরিবর্তে ডায়েট সুগার ব্যবহার করে ক্যালরি কমানো হয়েছে| মাওয়ার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কম ফ্যাট যুক্ত গুড়া দুধ| তাছাড়া কিশমিশ, বাদাম দেবার ফলে এটি হয়েছে আরো হে

কম ক্যালরি যুক্ত গাজরের হালুয়া

কম ক্যালরি যুক্ত গাজরের হালুয়া

মিষ্টি খাবার খাওয়ার প্রবণতা কম বেশি সবার মাঝেই থাকে| তাই, মিষ্টি খাবার খাওয়ার ইচ্ছা আমাদের প্রায়ই হয়ে থাকে| ঘন ঘন মিষ্টি খাবার খেলে ওজন তো বাড়বেই, সেই সাথে ওজন সম্পর্কিত অন্যান্য অসুখও হতে পারে| সাধারণত: আমরা বাড়িতে যে রকম গাজরের হালুয়া খাই, তাতে অনেক ক্যালরি থাকে| একবারে এত ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়া ঠিক নয়|
তাছাড়া সাধারণত: চিনির কোনো দরকার আমাদের শরীরে নেই| তাই যখন আপনাদের মিষ্টি খাবার খেতে ইচ্ছা করবে তখন এই মজাদার গাজরের হালুয়া  খেয়ে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা মেটাতে পারেন| এতে করে আপনার ওজনের সমস্যা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা, যেমন: ডায়বেটিস বাড়ার সম্ভাবনা নেই|
গাজর একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি| এতে আছে ভিটামিন এ , সি, ডি, কে, বি১, বি৬, লাইকোপেন, বিটা ও গামা ক্যারোটিন, মিনারেল, চিনি, biotin, potassium,  calcium, magnesium, phosphorus, organic sodium,ফাইবার, ও anti oxidants| তাই গাজর আমাদের স্বাস্থের জন্য,  আমাদের ত্বক ও চোখের জন্য খুবই ভালো||  ক্যান্সার প্রতিরোধ করা ছাড়াও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও রোগ সারাতেও গাজর ভূমিকা রাখে|
দুধ দেবার ফলে এতে থাকছে ক্যালসিয়াম, আমিষ| বাদাম থেকেও পাওয়া যাবে আমিষ, ফাইবার, Anti-oxidants, ওমেগা ৩| কিশমিশেও আছে অনেক ভিটামিন, ও ফাইবার|
সাধারণত: আমরা চিনি, ফ্যাট যুক্ত দুধ, মাওয়া  ও ঘি দিয়ে উচ্চ ক্যালরি ও ফ্যাট যুক্ত গাজরের হালুয়া খাই| কিন্তু এই রেসিপিতে কম ফ্যাট বা ননী বিহীন দুধ ব্যবহার করা হয়েছে, তাছাড়া চিনির পরিবর্তে ডায়েট সুগার ব্যবহার করে ক্যালরি কমানো হয়েছে| মাওয়ার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কম ফ্যাট যুক্ত গুড়া দুধ| তাছাড়া কিশমিশ, বাদাম দেবার ফলে এটি হয়েছে আরো হে
প্রিয় পাঠক আপনাদের জন্য ফিটনেস বাংলাদেশ নতুন বিভাগ “হেলদি রেসিপি” চালু করেছে| এই বিভাগে প্রথম রেসিপি– টুনা দই ও ফলের সালাদ দিচ্ছি|
আমরা অনেকই স্ন্যাকস হিসাবে সিংগারা পুরি, বার্গার ইত্যাদি অস্বাস্থ্যকর  খাবার খাই| এগুলো একদিন বা মাঝে মাঝে খেলে সমস্যা নেই, কিন্তু যদি প্রতিদিন খান, তবে আমাদের শরীরের অনেক রকম সমস্যা হতে পারে| তাই হেলদি রেসিপি বিভাগের এই  রেসিপিটি স্ন্যাকস হিসাবে খেতে পারেন| এটি দুপুরের ও রাতের খাবারের সাথেও খেতে পারেন|
টুনা একটি সামুদ্রিক মাছ, যা প্রচুর omega-3 fatty acid সমৃধ্য |omega-3 আমাদের শরীরের জন্য খুবই দরকারী|  টুনা থেকে আমিষও  পাওয়া যাবে|তাছাড়া এই সালাদে টক দই ও ফল থাকার কারণে এটি খুবই হেলদি খাবার|প্রতিদিনের খাবারের মেনুতে সালাদ থাকলে ওজন কমাতেও সাহায্য করবে|
নিচে আপানদের জন্য রেসিপি দিলাম —
উপকরণ
টুনার ক্যান থেকে নেয়া টুনা মাছ –দুই টেবিল চামচ| টুনার ক্যানটি তেল ছাড়া কিনবেন| পানিতে ( tuna in water) যেটা থাকে সেটা নিবেন| টুনার পানি ঝরিয়ে নিবেন|
শসা কুচি করে কাটা –দুই টেবিল চামচ
গাজর কুচি –এক টেবিল চামচ
টম্যাটো কুচি –এক টেবিল চামচ
কাপ্সিকাম কুচি–এক টেবিল চামচ
বাধাকপির সাদা অংশ কুচি– দুই টেবিল চামচ
আপেল কুচি –একটি আপেলের চার ভাগের এক ভাগ
আঙ্গুর কুচি –৪/৫ টি
গোল মরিচ –এক চিমটি
লবন প্রয়োজন মত
টক দই পানি ঝরানো –এক টেবিল চামচ
ডায়েট সুগার–Zero Cal  বা Stevia–আধা চা চামচ
কারী পাউডার ( ইচ্ছা)- এক চিমটি বা স্বাদমত
ধনেপাতা কুচি- পরিমানমত
Extra Virgin Olive Oil –আধা চা চামচ
প্রস্তুত প্রণালী–
সব উপকরণ এক সাথে একটি বাটিতে নিয়ে ভালো মত মাখিয়ে ধনে পাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন ঠান্ডা, হেলদি, অত্যন্ত সুস্বাদু– টুনা দই ও ফলের সালাদ |
এই উপকরণ গুলো ছাড়াও আপানর ইচ্ছা মত অন্য উপকরণ, যেমন– আনারস, কমলার কুচি, লেটুস, পেয়াজ, কাচামরিচ, লেবুর রস ইত্যাদি দিতে পারেন| এছাড়া সেদ্ধ করা/ কাচা ছোলা, সেদ্ধ করা আলু, সেদ্ধ করা কাবুলি ছোলাও  দিতে পারেন| এই সালাদে ম্যাওনিস বা অন্য সালাদ ড্রেসিং দিবেন না| তাহলে আর এটা হেলদি হবে না |
এই রেসিপিটি একটি স্যুপের বাটির সমান সালাদ তৈরির জন্য|
এতে খাদ্য উপাদান হিসাবে: আমিষ, ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার আছে|
হেলদি লাইফ স্টাইল সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন|
এই রেসিপিতে কেমন লাগলো তা জানান| আর ভালো লাগলে অন্য কারো সাথে শেয়ার করুন|

প্রিয় পাঠক আপনাদের জন্য ফিটনেস বাংলাদেশ নতুন বিভাগ “হেলদি রেসিপি” চালু করেছে| এই বিভাগে প্রথম রেসিপি– টুনা দই ও ফলের সালাদ দিচ্ছি|

প্রিয় পাঠক আপনাদের জন্য ফিটনেস বাংলাদেশ নতুন বিভাগ “হেলদি রেসিপি” চালু করেছে| এই বিভাগে প্রথম রেসিপি– টুনা দই ও ফলের সালাদ দিচ্ছি|
আমরা অনেকই স্ন্যাকস হিসাবে সিংগারা পুরি, বার্গার ইত্যাদি অস্বাস্থ্যকর  খাবার খাই| এগুলো একদিন বা মাঝে মাঝে খেলে সমস্যা নেই, কিন্তু যদি প্রতিদিন খান, তবে আমাদের শরীরের অনেক রকম সমস্যা হতে পারে| তাই হেলদি রেসিপি বিভাগের এই  রেসিপিটি স্ন্যাকস হিসাবে খেতে পারেন| এটি দুপুরের ও রাতের খাবারের সাথেও খেতে পারেন|
টুনা একটি সামুদ্রিক মাছ, যা প্রচুর omega-3 fatty acid সমৃধ্য |omega-3 আমাদের শরীরের জন্য খুবই দরকারী|  টুনা থেকে আমিষও  পাওয়া যাবে|তাছাড়া এই সালাদে টক দই ও ফল থাকার কারণে এটি খুবই হেলদি খাবার|প্রতিদিনের খাবারের মেনুতে সালাদ থাকলে ওজন কমাতেও সাহায্য করবে|
নিচে আপানদের জন্য রেসিপি দিলাম —
উপকরণ
টুনার ক্যান থেকে নেয়া টুনা মাছ –দুই টেবিল চামচ| টুনার ক্যানটি তেল ছাড়া কিনবেন| পানিতে ( tuna in water) যেটা থাকে সেটা নিবেন| টুনার পানি ঝরিয়ে নিবেন|
শসা কুচি করে কাটা –দুই টেবিল চামচ
গাজর কুচি –এক টেবিল চামচ
টম্যাটো কুচি –এক টেবিল চামচ
কাপ্সিকাম কুচি–এক টেবিল চামচ
বাধাকপির সাদা অংশ কুচি– দুই টেবিল চামচ
আপেল কুচি –একটি আপেলের চার ভাগের এক ভাগ
আঙ্গুর কুচি –৪/৫ টি
গোল মরিচ –এক চিমটি
লবন প্রয়োজন মত
টক দই পানি ঝরানো –এক টেবিল চামচ
ডায়েট সুগার–Zero Cal  বা Stevia–আধা চা চামচ
কারী পাউডার ( ইচ্ছা)- এক চিমটি বা স্বাদমত
ধনেপাতা কুচি- পরিমানমত
Extra Virgin Olive Oil –আধা চা চামচ
প্রস্তুত প্রণালী–
সব উপকরণ এক সাথে একটি বাটিতে নিয়ে ভালো মত মাখিয়ে ধনে পাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন ঠান্ডা, হেলদি, অত্যন্ত সুস্বাদু– টুনা দই ও ফলের সালাদ |
এই উপকরণ গুলো ছাড়াও আপানর ইচ্ছা মত অন্য উপকরণ, যেমন– আনারস, কমলার কুচি, লেটুস, পেয়াজ, কাচামরিচ, লেবুর রস ইত্যাদি দিতে পারেন| এছাড়া সেদ্ধ করা/ কাচা ছোলা, সেদ্ধ করা আলু, সেদ্ধ করা কাবুলি ছোলাও  দিতে পারেন| এই সালাদে ম্যাওনিস বা অন্য সালাদ ড্রেসিং দিবেন না| তাহলে আর এটা হেলদি হবে না |
এই রেসিপিটি একটি স্যুপের বাটির সমান সালাদ তৈরির জন্য|
এতে খাদ্য উপাদান হিসাবে: আমিষ, ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার আছে|
হেলদি লাইফ স্টাইল সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন|
এই রেসিপিতে কেমন লাগলো তা জানান| আর ভালো লাগলে অন্য কারো সাথে শেয়ার করুন|

বসন্তের ফল স্ট্রবেরি: পুষ্টির শক্তিশালী আধার

প্রিয় পাঠক, সবাইকে সালাম ও বসন্তের শুভেচ্ছা|সবাই কেমন আছেন?
বসন্তে প্রকৃতিতে অনেক রঙের সমাহার হয়|নানক রকম রঙ্গিন ফুল আমাদের মনকে রাঙিয়ে যায়|প্রকৃতি আমাদের এই রঙ্গিন ফুল দিয়ে মনের সৌন্দর্য বা ফিটনেস বাড়ায়|
আর শারীরিক ফিটনেসের জন্যে প্রকৃতি আনে একটি অত্যান্ত সুস্বাদু ও সুন্দর ফলস্ট্রবেরি| অনেকে হয়তো ভাবছেন দেশীয় এত ফল থাকতে এই স্ট্রবেরির গুনাগুন কেন? এই স্ট্রবেরি ফলটি বিদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হেলদি ফল|কারণ এই ফলটি নি:সন্দেহে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে অনেক ভালো| তাছাড়া অনেক খাবারেই এটি ব্যবহৃত হয়|
দেশে এখন স্ট্রবেরির চাষ হচ্ছে| তাই এই বসন্তে এটি প্রায় সব জায়গায় আমাদের দেশে এখন পাওয়া যাচ্ছে|অনেকে হয়তো জানেন না এর গুনাগুন কত বা এই ফলটি যে কত পুষ্টি সমৃদ্ধ|তাই এই পোস্টে এই বসন্তের লোভনীয়, রসালো, সুন্দর, লাল রঙের, সুগন্ধী ও সুস্বাদু ফল স্ট্রবেরি নিয়ে আলোচনা করা হলো:-
স্ট্রবেরি কেন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে এত ভালো?
  • বিভিন্ন রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল: আমাদের বয়সের সাথে সাথে ক্ষতিকর oxidants /free radicals  এর প্রভাবে ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে শরীরের অনেক রোগ বাসা বাধে ও কোষের ও DNA এর ক্ষতি সাধন করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট এমন একটি উপাদান, যা এই free radicals  ধ্বংশ করে, শরীরকে অকসিডেটিভ ধংশের হাত থেকে রক্ষা করে| এই ফলে প্রচুর স্বাস্থ্যকর phyto-nutrients, minerals ও vitamins আছে, যা স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যে খুবই দরকারী|
  • এতে chemical compound– phenol আছে|  Anthocyanin নামক একটি phenol  এতে থাকার জন্যে এটি দেখতে টকটকে, সুন্দর লাল দেখায়| তাছাড়া আরো অনেক এন্টি-অক্সিডেন্ট এতে আছে, যেমন:ellagic acid, -benzoic acids, Hydroxy-cinnamic acids, Tannins, Stilbenes Flavonols,  anthocyanins, terpenoids,  phenolic acids,ইত্যাদি যা অনেক ফলে নেই|
  • গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে এই ফলটি ৫০ টি খাবারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি খাবার এবং ফলের মধ্যে চতুর্থ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল|
  • এতে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি, যেমন: ভিটামিন সি বা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট, ইত্যাদি আছে| আমাদের শরীরে প্রতিদিন অনেক ভিটামিন সির দরকার হয়, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| স্ট্রবেরির ভিটামিন সি শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায় ও কাজ করে| এক কাপ স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমনে ভিটামিন সি আছে, যা রক্ত চাপ কমানো ছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| তাছাড়া ভিটামিন সি মানসিক চাপ, প্রদাহ, ঠান্ডা লাগা, ক্ষতিকর free radicals, সংক্রমন, ইত্যাদি প্রতিরোধ করে|
  • তাছাড়া এতে B-complex group এর ভিটামিন আছে: এতে  vitamin B-6, niacin, riboflavin, pantothenic acid,  folic acid ইত্যাদি B-complex group এর ভিটামিন আছে|এই ভিটামিনগুলো co-factors হিসাবে আমাদের শরীরে কাজ করে, যা শরীরের শর্করা আমিষ, ফ্যাট হজম করায় |এতে  folate নামক  B vitamin আছে, যা বিভিন্ন রকম ক্যান্সার ও জন্মগত ত্রুটি, যেমন:  spina bifida প্রতিরোধ করে|
  • স্ট্রবেরি তে vitamin A, vitamin E ও স্বাস্থ্য উন্নত করার উপাদান: flavonoid poly phenolic  antioxidants, যেমন: lutein, zea-xanthin, ও beta-carotene  অল্প পরিমানে আছে|এই যৌগ উপাদানগুলো oxygen-derived free radicals ও  reactive oxygen species (ROS), যা শরীরে বার্ধক্য ও অসুখ আনে, তার বিরুদ্ধে কাজ করে|
  • স্ট্রবেরিতে প্রচুর Manganese আছে: এক কাপ স্ট্রবেরিতে ২১% manganese আছে, যা শক্তিশালি antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান হিসাবে কাজ করে| Manganese free radicals এবং oxidative stress এর বিরুদ্ধে কাজ করে, cellular inflammation  কমায়, যা অনেক cardiovascular disease এর কারণ| Manganese হাঁড়ের জন্যে ভালো, হাঁড় তৈরিতে সাহায্য করে, হাঁড়ের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে|
  • তাছাড়া এর potassium, vitamin K, ও magnesium ও হাঁড়ের জন্যে ভালো| স্ট্রবেরিতে  magnesium নামক mineral  শরীরের শক্তি উতপন্ন করে, হাঁড় ও দাঁত শক্ত করে ও ঠিক রাখে|
  • এর অন্যান্য minerals, যেমন: fluorine, copper, iron ও iodine,Copper  রক্তের লোহিত কনিকা তৈরিতে দরকার হয়| Fluoride এর জন্য দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়|
  • স্ট্রবেরি চোখের জন্যে ভালো: এতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, ভিটামিন সি আমাদের চোখের জন্যে খুবই ভালো, এটি চোখের রেটিনা ও কর্নিয়াকে শক্তিশালী করে, বৃদ্ধ বয়সে চোখে ছানি পড়া থেকে বাঁচায়|বৃদ্ধ বয়সে পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাবে, আমাদের চোখের বিভিন্ন রোগ, যেমন: drying up of eyes, degeneration of optical nerves, Macular degeneration, vision defects, ocular pressure( the pressure of the eyes.), infections ইত্যাদি হয়|  vitamin-C, Flavonoids, Phenolic Phytochemicals, Elagic Acid, Potassium — যা এই ফলে পাওয়া যায়, তা এই চোখের রোগগুলো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
  • স্ট্রবেরি একটি শক্তিশালী এন্টি ক্যান্সার ফল| কারণ এতে ellagic acid নামক একটি phytochemical/ phytonutrient  আছে, যা ক্যানসারের কোষগুলোকে দমন করে| তাছাড়া এতে এন্টি-অক্সিডেন্ট– vitamin C, folate, lutein ও zeathancins আছে,  flavonoids– quercetin ও  kaempfero আছে|এগুলো free-radicals, যা আমাদের কোষকে নষ্ট করে ও ক্যান্সার হতে সাহায্য করে, তা ধ্বংস করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট ও  anti-inflammatory উপাদানগুলো এই ফলে থাকার জন্যে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে| তাছাড়া flavonoids, যেমন: anthocyanins, quercetin এবং kaempferolও  antioxidant, যা colon cancer cells, prostate , lung, tongue, mouth, mammary, esophageal  ও breast cancer cells প্রতিরোধ করে| যেহেতু ক্রমাগত inflammation ও oxidative stress ( antioxidant /nutrients ও unsupported oxygen metabolism এর অভাবে) এর জন্যে ক্যান্সার হয়, তাই এই ফলে antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান থাকায় ক্যান্সার এর প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
  • স্ট্রবেরি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় ও হার্ট সুস্থ্য রাখে| এর Ellagic acid ও flavonoids— নামক phytochemicals/এন্টি অক্সিডেন্ট রক্তের low-density lipoprotein,  বা  LDL—খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, যা arteries এর plaque সৃষ্টি করে|তাছাড়া এই এন্টি-অক্সিডেন্ট গুলো anti-inflammatory, যা হার্টের জন্যে ভালো|গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, স্ট্রবেরিতে–কোলেস্টরেল, কোষের oxidative damage, blood lipids কমানোর উপাদান আছে, যেগুলো হার্টের অসুখ ও ডায়বেটিস প্রতিরোধ করে| Folate নামক বি-ভিটামিন তার মধ্যে অন্যতম, যা coronary disease প্রতিরোধ করে| ভিটামিন সিও হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে| Antioxidants আমাদের cardiovascular system কে ঠিক রাখতে সাহায্য করে |
  • স্ট্রবেরি রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে: স্ট্রবেরির polyphenols  রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে, তাই যারা হেলদি লাইফস্টাইল মেনে চলেন ও যাদের ডায়বেটিস আছে, তারা এই ফলটি নিয়মিত খেতে পারেন|
  • স্ট্রবেরি  প্রদাহ বা inflammation কমায়: নানান রকম phytonutrients ছাড়াও এতে অনেক anti-inflammatory  উপাদান আছে| এর inflammatory মাপক, যেমন: C-reactive protein (CRP) এর অনেক উন্নতি হয়, যদি সপ্তাহে কিছুদিন এই ফল এক কাপ করে খাওয়া হয়|অর্থাৎ নিয়মিত এই ফল খেলে নানান রকম গুরুতর প্রদাহ কমানো যাবে|
  • স্ট্রবেরি জয়েন্টের প্রদাহ কমায়: এর antioxidants এবং phytochemicals জয়েন্টের প্রদাহ কমায়, যা আর্থ্রাইটিস এর মতো জয়েন্টের অসুখ প্রতিহত করে| Arthritis ও  Gout: যেগুলো মাসেল ও টিসুর ক্ষয় করে, জয়েন্টের তরল পদার্থ শুকিয়ে ফেলে, এবং বর্জ্য পদার্থ, যেমন:acids (যেমন: uric acid) শরীরে জমা করে, এই অসুখগুলো সাধারনত শরীরে free radicals থাকলে হয়|স্ট্রবেরি এর  anti-oxidants ও  detoxifiers উপাদানের সাহায্যে এই সব বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়|
  • তাছাড়া এর phenols অনেক inflammatory disorders, যেমন: osteoarthritis, Gout, asthma and atherosclerosis, এর বিরুদ্ধে কাজ করে, কারণ: এটি enzyme– cyclooxygenase (COX) নি:স্বরণ হতে দেয় না, যেভাবে ওষুধ-aspirin ও ibuprofen কাজ করে|কিন্তু এই ওষুধগুলোর অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে, যা  স্ট্রবেরিতে নেই|
  • স্ট্রবেরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: Potassium ও magnesium হচ্ছে রক্তচাপ কমানোর প্রধান পুষ্টি উপাদান, যা এই ফলে প্রচুর পাওয়া যায়| তাছাড়া potassium, মাসেল ও নার্ভ ঠিক মতো কাজ করতে সাহায্য করে, এবং শরীরে healthy electrolyte levels ও heart rate বজায় রাখে|
  • স্ট্রবেরি ব্রেইন ও নার্ভের কার্যকারিতা বাড়ায়: বয়সের সাথে সাথে আমাদের ব্রেইন ও নার্ভের কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকে| এর vitamin-C ও phytochemicals এর জন্যে এই অঙ্গগুলো ঠিক থাকে|তাছাড়া এতে প্রচুর আয়োডিন থাকায় এটি ব্রেইন ও নার্ভকে ঠিক রাখে|
  • স্ট্রবেরি উচ্চমাত্রার আঁশ সমৃদ্ধ ফল|আমাদের শরীরের প্রতিদিন আঁশ সমৃদ্ধ খাবার দরকার হয়, যাতে খাবার ঠিকভাবে হজম হয়|অন্যথায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্ষুদ্রান্ত্রের উপস্থলিপ্রদাহ, ইত্যাদি রোগ হতে পারে|আঁশ, টাইপ-২ ডায়বেটিসও প্রতিহত করে|তাছাড়া আঁশ রক্তের চিনি বা গ্লুকোস নিয়ন্ত্রণ করে|তাই ডায়বেটিস এর রোগীরা এই ফল পরিমিত পরিমানে খেতে পারবেন|
  • স্ট্রবেরি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: শরীর সুস্থ্য রাখার এক মাত্র হাতিয়ার হচ্ছে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা|অন্যথায় ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ হয়ে শরীরের কল-কব্জা সব ধ্বংশ হয়ে যাবে|এই ফলটিতে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট নেই, চিনি ও লবনের পরিমাণও খুব কম|তাই হেলদি স্ন্যাক্স হিসাবে এটি খেতে পারেন|
  • অন্ত্রের প্রদাহ কমায়: এতে salicylic acid নামক anti-inflammatory উপাদান digestion-aiding enzymes থাকার জন্যে এই ফলটি অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে ও হজম শক্তি বৃধ্বি করে|
  • এটি ত্বকের সৌন্দর্য বৃধ্বি করে| এর ভিটামিন সি collagen সৃষ্টিতে সহায়তা করে, যা ত্বকের শিতিস্থাপকতা বাড়ায়, ফলে সহজে ত্বক বুড়িয়ে যায় না|
এক পরিবেশন স্ট্রবেরি : ৮ টি বড় মাপের অথবা এক কাপ স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য:
  • এর ORAC value (oxygen radical absorbance capacity, যা anti-oxidant strength পরিমাপক) হচ্ছে—3577 µmol TE per 100 grams.
  • California Strawberry Commission এর মতে এক কাপ স্ট্রবেরিতে দৈনিক চাহিদার ১৬০% ভিটামিন সি আছে এবং কমলার চাইতেও বেশি ভিটামিন সি এতে আছে
  • এক কাপ স্ট্রবেরিতে থাকে ৪৬ ক্যালরি, দিনের ১৩% আঁশ এর চাহিদা বা ৩ গ্রাম আঁশ|কোন খাদ্যে কত ক্যালরি ‎, খাদ্যের ক্যালরি মেপে খাওয়া সম্পর্কে জানুন|
  • এই ফলকে বলা হয় সব ফলের মধ্যে হার্টের শ্রেষ্ঠ বন্ধু|

বসন্তের ফল স্ট্রবেরি: পুষ্টির শক্তিশালী আধার

বসন্তের ফল স্ট্রবেরি: পুষ্টির শক্তিশালী আধার

প্রিয় পাঠক, সবাইকে সালাম ও বসন্তের শুভেচ্ছা|সবাই কেমন আছেন?
বসন্তে প্রকৃতিতে অনেক রঙের সমাহার হয়|নানক রকম রঙ্গিন ফুল আমাদের মনকে রাঙিয়ে যায়|প্রকৃতি আমাদের এই রঙ্গিন ফুল দিয়ে মনের সৌন্দর্য বা ফিটনেস বাড়ায়|
আর শারীরিক ফিটনেসের জন্যে প্রকৃতি আনে একটি অত্যান্ত সুস্বাদু ও সুন্দর ফলস্ট্রবেরি| অনেকে হয়তো ভাবছেন দেশীয় এত ফল থাকতে এই স্ট্রবেরির গুনাগুন কেন? এই স্ট্রবেরি ফলটি বিদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হেলদি ফল|কারণ এই ফলটি নি:সন্দেহে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে অনেক ভালো| তাছাড়া অনেক খাবারেই এটি ব্যবহৃত হয়|
দেশে এখন স্ট্রবেরির চাষ হচ্ছে| তাই এই বসন্তে এটি প্রায় সব জায়গায় আমাদের দেশে এখন পাওয়া যাচ্ছে|অনেকে হয়তো জানেন না এর গুনাগুন কত বা এই ফলটি যে কত পুষ্টি সমৃদ্ধ|তাই এই পোস্টে এই বসন্তের লোভনীয়, রসালো, সুন্দর, লাল রঙের, সুগন্ধী ও সুস্বাদু ফল স্ট্রবেরি নিয়ে আলোচনা করা হলো:-
স্ট্রবেরি কেন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে এত ভালো?
  • বিভিন্ন রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল: আমাদের বয়সের সাথে সাথে ক্ষতিকর oxidants /free radicals  এর প্রভাবে ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে শরীরের অনেক রোগ বাসা বাধে ও কোষের ও DNA এর ক্ষতি সাধন করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট এমন একটি উপাদান, যা এই free radicals  ধ্বংশ করে, শরীরকে অকসিডেটিভ ধংশের হাত থেকে রক্ষা করে| এই ফলে প্রচুর স্বাস্থ্যকর phyto-nutrients, minerals ও vitamins আছে, যা স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যে খুবই দরকারী|
  • এতে chemical compound– phenol আছে|  Anthocyanin নামক একটি phenol  এতে থাকার জন্যে এটি দেখতে টকটকে, সুন্দর লাল দেখায়| তাছাড়া আরো অনেক এন্টি-অক্সিডেন্ট এতে আছে, যেমন:ellagic acid, -benzoic acids, Hydroxy-cinnamic acids, Tannins, Stilbenes Flavonols,  anthocyanins, terpenoids,  phenolic acids,ইত্যাদি যা অনেক ফলে নেই|
  • গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে এই ফলটি ৫০ টি খাবারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি খাবার এবং ফলের মধ্যে চতুর্থ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল|
  • এতে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি, যেমন: ভিটামিন সি বা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট, ইত্যাদি আছে| আমাদের শরীরে প্রতিদিন অনেক ভিটামিন সির দরকার হয়, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| স্ট্রবেরির ভিটামিন সি শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায় ও কাজ করে| এক কাপ স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমনে ভিটামিন সি আছে, যা রক্ত চাপ কমানো ছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| তাছাড়া ভিটামিন সি মানসিক চাপ, প্রদাহ, ঠান্ডা লাগা, ক্ষতিকর free radicals, সংক্রমন, ইত্যাদি প্রতিরোধ করে|
  • তাছাড়া এতে B-complex group এর ভিটামিন আছে: এতে  vitamin B-6, niacin, riboflavin, pantothenic acid,  folic acid ইত্যাদি B-complex group এর ভিটামিন আছে|এই ভিটামিনগুলো co-factors হিসাবে আমাদের শরীরে কাজ করে, যা শরীরের শর্করা আমিষ, ফ্যাট হজম করায় |এতে  folate নামক  B vitamin আছে, যা বিভিন্ন রকম ক্যান্সার ও জন্মগত ত্রুটি, যেমন:  spina bifida প্রতিরোধ করে|
  • স্ট্রবেরি তে vitamin A, vitamin E ও স্বাস্থ্য উন্নত করার উপাদান: flavonoid poly phenolic  antioxidants, যেমন: lutein, zea-xanthin, ও beta-carotene  অল্প পরিমানে আছে|এই যৌগ উপাদানগুলো oxygen-derived free radicals ও  reactive oxygen species (ROS), যা শরীরে বার্ধক্য ও অসুখ আনে, তার বিরুদ্ধে কাজ করে|
  • স্ট্রবেরিতে প্রচুর Manganese আছে: এক কাপ স্ট্রবেরিতে ২১% manganese আছে, যা শক্তিশালি antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান হিসাবে কাজ করে| Manganese free radicals এবং oxidative stress এর বিরুদ্ধে কাজ করে, cellular inflammation  কমায়, যা অনেক cardiovascular disease এর কারণ| Manganese হাঁড়ের জন্যে ভালো, হাঁড় তৈরিতে সাহায্য করে, হাঁড়ের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে|
  • তাছাড়া এর potassium, vitamin K, ও magnesium ও হাঁড়ের জন্যে ভালো| স্ট্রবেরিতে  magnesium নামক mineral  শরীরের শক্তি উতপন্ন করে, হাঁড় ও দাঁত শক্ত করে ও ঠিক রাখে|
  • এর অন্যান্য minerals, যেমন: fluorine, copper, iron ও iodine,Copper  রক্তের লোহিত কনিকা তৈরিতে দরকার হয়| Fluoride এর জন্য দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়|
  • স্ট্রবেরি চোখের জন্যে ভালো: এতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, ভিটামিন সি আমাদের চোখের জন্যে খুবই ভালো, এটি চোখের রেটিনা ও কর্নিয়াকে শক্তিশালী করে, বৃদ্ধ বয়সে চোখে ছানি পড়া থেকে বাঁচায়|বৃদ্ধ বয়সে পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাবে, আমাদের চোখের বিভিন্ন রোগ, যেমন: drying up of eyes, degeneration of optical nerves, Macular degeneration, vision defects, ocular pressure( the pressure of the eyes.), infections ইত্যাদি হয়|  vitamin-C, Flavonoids, Phenolic Phytochemicals, Elagic Acid, Potassium — যা এই ফলে পাওয়া যায়, তা এই চোখের রোগগুলো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
  • স্ট্রবেরি একটি শক্তিশালী এন্টি ক্যান্সার ফল| কারণ এতে ellagic acid নামক একটি phytochemical/ phytonutrient  আছে, যা ক্যানসারের কোষগুলোকে দমন করে| তাছাড়া এতে এন্টি-অক্সিডেন্ট– vitamin C, folate, lutein ও zeathancins আছে,  flavonoids– quercetin ও  kaempfero আছে|এগুলো free-radicals, যা আমাদের কোষকে নষ্ট করে ও ক্যান্সার হতে সাহায্য করে, তা ধ্বংস করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট ও  anti-inflammatory উপাদানগুলো এই ফলে থাকার জন্যে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে| তাছাড়া flavonoids, যেমন: anthocyanins, quercetin এবং kaempferolও  antioxidant, যা colon cancer cells, prostate , lung, tongue, mouth, mammary, esophageal  ও breast cancer cells প্রতিরোধ করে| যেহেতু ক্রমাগত inflammation ও oxidative stress ( antioxidant /nutrients ও unsupported oxygen metabolism এর অভাবে) এর জন্যে ক্যান্সার হয়, তাই এই ফলে antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান থাকায় ক্যান্সার এর প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
  • স্ট্রবেরি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় ও হার্ট সুস্থ্য রাখে| এর Ellagic acid ও flavonoids— নামক phytochemicals/এন্টি অক্সিডেন্ট রক্তের low-density lipoprotein,  বা  LDL—খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, যা arteries এর plaque সৃষ্টি করে|তাছাড়া এই এন্টি-অক্সিডেন্ট গুলো anti-inflammatory, যা হার্টের জন্যে ভালো|গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, স্ট্রবেরিতে–কোলেস্টরেল, কোষের oxidative damage, blood lipids কমানোর উপাদান আছে, যেগুলো হার্টের অসুখ ও ডায়বেটিস প্রতিরোধ করে| Folate নামক বি-ভিটামিন তার মধ্যে অন্যতম, যা coronary disease প্রতিরোধ করে| ভিটামিন সিও হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে| Antioxidants আমাদের cardiovascular system কে ঠিক রাখতে সাহায্য করে |
  • স্ট্রবেরি রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে: স্ট্রবেরির polyphenols  রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে, তাই যারা হেলদি লাইফস্টাইল মেনে চলেন ও যাদের ডায়বেটিস আছে, তারা এই ফলটি নিয়মিত খেতে পারেন|
  • স্ট্রবেরি  প্রদাহ বা inflammation কমায়: নানান রকম phytonutrients ছাড়াও এতে অনেক anti-inflammatory  উপাদান আছে| এর inflammatory মাপক, যেমন: C-reactive protein (CRP) এর অনেক উন্নতি হয়, যদি সপ্তাহে কিছুদিন এই ফল এক কাপ করে খাওয়া হয়|অর্থাৎ নিয়মিত এই ফল খেলে নানান রকম গুরুতর প্রদাহ কমানো যাবে|
  • স্ট্রবেরি জয়েন্টের প্রদাহ কমায়: এর antioxidants এবং phytochemicals জয়েন্টের প্রদাহ কমায়, যা আর্থ্রাইটিস এর মতো জয়েন্টের অসুখ প্রতিহত করে| Arthritis ও  Gout: যেগুলো মাসেল ও টিসুর ক্ষয় করে, জয়েন্টের তরল পদার্থ শুকিয়ে ফেলে, এবং বর্জ্য পদার্থ, যেমন:acids (যেমন: uric acid) শরীরে জমা করে, এই অসুখগুলো সাধারনত শরীরে free radicals থাকলে হয়|স্ট্রবেরি এর  anti-oxidants ও  detoxifiers উপাদানের সাহায্যে এই সব বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়|
  • তাছাড়া এর phenols অনেক inflammatory disorders, যেমন: osteoarthritis, Gout, asthma and atherosclerosis, এর বিরুদ্ধে কাজ করে, কারণ: এটি enzyme– cyclooxygenase (COX) নি:স্বরণ হতে দেয় না, যেভাবে ওষুধ-aspirin ও ibuprofen কাজ করে|কিন্তু এই ওষুধগুলোর অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে, যা  স্ট্রবেরিতে নেই|
  • স্ট্রবেরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: Potassium ও magnesium হচ্ছে রক্তচাপ কমানোর প্রধান পুষ্টি উপাদান, যা এই ফলে প্রচুর পাওয়া যায়| তাছাড়া potassium, মাসেল ও নার্ভ ঠিক মতো কাজ করতে সাহায্য করে, এবং শরীরে healthy electrolyte levels ও heart rate বজায় রাখে|
  • স্ট্রবেরি ব্রেইন ও নার্ভের কার্যকারিতা বাড়ায়: বয়সের সাথে সাথে আমাদের ব্রেইন ও নার্ভের কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকে| এর vitamin-C ও phytochemicals এর জন্যে এই অঙ্গগুলো ঠিক থাকে|তাছাড়া এতে প্রচুর আয়োডিন থাকায় এটি ব্রেইন ও নার্ভকে ঠিক রাখে|
  • স্ট্রবেরি উচ্চমাত্রার আঁশ সমৃদ্ধ ফল|আমাদের শরীরের প্রতিদিন আঁশ সমৃদ্ধ খাবার দরকার হয়, যাতে খাবার ঠিকভাবে হজম হয়|অন্যথায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্ষুদ্রান্ত্রের উপস্থলিপ্রদাহ, ইত্যাদি রোগ হতে পারে|আঁশ, টাইপ-২ ডায়বেটিসও প্রতিহত করে|তাছাড়া আঁশ রক্তের চিনি বা গ্লুকোস নিয়ন্ত্রণ করে|তাই ডায়বেটিস এর রোগীরা এই ফল পরিমিত পরিমানে খেতে পারবেন|
  • স্ট্রবেরি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: শরীর সুস্থ্য রাখার এক মাত্র হাতিয়ার হচ্ছে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা|অন্যথায় ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ হয়ে শরীরের কল-কব্জা সব ধ্বংশ হয়ে যাবে|এই ফলটিতে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট নেই, চিনি ও লবনের পরিমাণও খুব কম|তাই হেলদি স্ন্যাক্স হিসাবে এটি খেতে পারেন|
  • অন্ত্রের প্রদাহ কমায়: এতে salicylic acid নামক anti-inflammatory উপাদান digestion-aiding enzymes থাকার জন্যে এই ফলটি অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে ও হজম শক্তি বৃধ্বি করে|
  • এটি ত্বকের সৌন্দর্য বৃধ্বি করে| এর ভিটামিন সি collagen সৃষ্টিতে সহায়তা করে, যা ত্বকের শিতিস্থাপকতা বাড়ায়, ফলে সহজে ত্বক বুড়িয়ে যায় না|
এক পরিবেশন স্ট্রবেরি : ৮ টি বড় মাপের অথবা এক কাপ স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য:
  • এর ORAC value (oxygen radical absorbance capacity, যা anti-oxidant strength পরিমাপক) হচ্ছে—3577 µmol TE per 100 grams.
  • California Strawberry Commission এর মতে এক কাপ স্ট্রবেরিতে দৈনিক চাহিদার ১৬০% ভিটামিন সি আছে এবং কমলার চাইতেও বেশি ভিটামিন সি এতে আছে
  • এক কাপ স্ট্রবেরিতে থাকে ৪৬ ক্যালরি, দিনের ১৩% আঁশ এর চাহিদা বা ৩ গ্রাম আঁশ|কোন খাদ্যে কত ক্যালরি ‎, খাদ্যের ক্যালরি মেপে খাওয়া সম্পর্কে জানুন|
  • এই ফলকে বলা হয় সব ফলের মধ্যে হার্টের শ্রেষ্ঠ বন্ধু|

আমলকী এক ধরনের ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম ‘আমালিকা’। একজন মানুষ যদি প্রতিদিন ৬ দশমিক ৫ গ্রাম আমলকী খান, তবে অনেক রোগ থেকেই মুক্ত থাকতে পারবেন।

আমলকীর রস মধু দিয়ে খেলে চোখের বিভিন্ন ধরনের অসুখ ভালো হয়ে যায়, যেমন : কনজাংটিভ, গ্লুকোমা ইত্যাদি। এর মধ্যে ক্রমিয়াম রয়েছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী। আমলকী হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পেশি শক্ত ও নমনীয় করতেও সাহায্য করে। আমলকী বয়সের বলিরেখা পড়তে দেয় না। এমনকি ক্যানসার প্রতিরোধেও বেশ সহায়ক এই আমলকী। এটি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে।

আমলকীতে সলিউবল ফাইবার থাকে। এটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং হজমে সাহায্য করে।

আমলকীর সবচেয়ে বড় অবদান চুলের জন্য। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকী খেলে টাক মাথায় নতুন করে চুল গজায়। এটি চুল পাকা, চুল পড়া রোধ করে এবং চুলে চকচকে ভাব নিয়ে আসে। নিয়মিত আমলকী খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁতের বিভিন্ন অসুখ দূর করতেও আমলকী কাজ করে।

এ ছাড়া আমলকী আরো কিছু অসুখ রোধে সাহায্য করে। যেমন—
অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত : অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত সারাতে আমলকী বেশ কার্যকর। এটি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। কিডনির রোগ সারাতেও কাজ করে।

লিভার ও জন্ডিস : আমলকী বিভিন্ন ধরনের লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি জন্ডিস ভালো করতেও বেশ উপকারী।

রোদে পোড়া দাগ : রোদে পোড়া দাগ দূর করতে আমলকী খেতে পারেন। এটি সানস্ট্রোক থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় এটি বেশ উপকারী।

সর্দি-কাশি : দীর্ঘমেয়াদি সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে আমলকী বেশ উপকারী। মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতেও এটি খাওয়া যেতে পারে ।
সৈয়দা তাবাসসুম আজিজ : সহকারী অধ্যাপক, খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ

আমলকী খেলে কী হয়

আমলকী এক ধরনের ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম ‘আমালিকা’। একজন মানুষ যদি প্রতিদিন ৬ দশমিক ৫ গ্রাম আমলকী খান, তবে অনেক রোগ থেকেই মুক্ত থাকতে পারবেন।

আমলকীর রস মধু দিয়ে খেলে চোখের বিভিন্ন ধরনের অসুখ ভালো হয়ে যায়, যেমন : কনজাংটিভ, গ্লুকোমা ইত্যাদি। এর মধ্যে ক্রমিয়াম রয়েছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী। আমলকী হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পেশি শক্ত ও নমনীয় করতেও সাহায্য করে। আমলকী বয়সের বলিরেখা পড়তে দেয় না। এমনকি ক্যানসার প্রতিরোধেও বেশ সহায়ক এই আমলকী। এটি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে।

আমলকীতে সলিউবল ফাইবার থাকে। এটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং হজমে সাহায্য করে।

আমলকীর সবচেয়ে বড় অবদান চুলের জন্য। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকী খেলে টাক মাথায় নতুন করে চুল গজায়। এটি চুল পাকা, চুল পড়া রোধ করে এবং চুলে চকচকে ভাব নিয়ে আসে। নিয়মিত আমলকী খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁতের বিভিন্ন অসুখ দূর করতেও আমলকী কাজ করে।

এ ছাড়া আমলকী আরো কিছু অসুখ রোধে সাহায্য করে। যেমন—
অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত : অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত সারাতে আমলকী বেশ কার্যকর। এটি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। কিডনির রোগ সারাতেও কাজ করে।

লিভার ও জন্ডিস : আমলকী বিভিন্ন ধরনের লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি জন্ডিস ভালো করতেও বেশ উপকারী।

রোদে পোড়া দাগ : রোদে পোড়া দাগ দূর করতে আমলকী খেতে পারেন। এটি সানস্ট্রোক থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় এটি বেশ উপকারী।

সর্দি-কাশি : দীর্ঘমেয়াদি সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে আমলকী বেশ উপকারী। মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতেও এটি খাওয়া যেতে পারে ।
সৈয়দা তাবাসসুম আজিজ : সহকারী অধ্যাপক, খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ

 Historically, onions was used in the food that dating back thousands of years in China, Egypt and Persia. Once again, we created another history with Mypot Onion Chicken flavor. Taste it today and Marhaba to the taste of happiness.





Historically,

 Historically, onions was used in the food that dating back thousands of years in China, Egypt and Persia. Once again, we created another history with Mypot Onion Chicken flavor. Taste it today and Marhaba to the taste of happiness.





 Historically, onions was used in the food that dating back thousands of years in China, Egypt and Persia. Once again, we created another history with Mypot Onion Chicken flavor. Taste it today and Marhaba to the taste of happiness.

Historically

 Historically, onions was used in the food that dating back thousands of years in China, Egypt and Persia. Once again, we created another history with Mypot Onion Chicken flavor. Taste it today and Marhaba to the taste of happiness.

Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion and carrot. Cook for a few more minutes.

Step 1Cook pasta following packet directions

Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion and carrot. Cook for a few more minutes.