Swimming Pool
[Swimming Pool][pvid]
Garden Flower
[Garden Flower][pvid]
Showing posts with label Healty Food. Show all posts
Showing posts with label Healty Food. Show all posts
In the study, a small group of healthy, formula-fed infants ate meat-based complementary foods, such as pureed ham and beef, or dairy-based complementary foods from ages five to 12 months old, increasing their protein intake from two grams of protein per kg each day before the study up to three grams per kg each day during the study period.
Meat-based diet improves length growth in infants, says a study
In the study, a small group of healthy, formula-fed infants ate meat-based complementary foods, such as pureed ham and beef, or dairy-based complementary foods from ages five to 12 months old, increasing their protein intake from two grams of protein per kg each day before the study up to three grams per kg each day during the study period.
পবিত্র শবে বরাতে সবার ঘরে নানা মিষ্টি জাতীয় খাবারের হিড়িক পড়ে যায়। এইদিন মিষ্টি খাবার একটু বেশি খাওয়া হয়। রান্না হয় নানারকম সেমাই, হালুয়া। তবে পায়েস বাদ যাবে কেন ? রান্না করতে পারেন মজাদার ভিন্ন স্বাদের বাদাম দুধের পায়েস। চলুন রেসিপিটি দেখে নিই।
উপকরণ :
চিনিগুঁড়া চাল ৫০০ গ্রাম, বাদাম বাটা ১০০ গ্রাম, ঘনদুধ দেড় লিটার, চিনি ৫০০ গ্রাম, ঘি ৫০ গ্রাম, কাজু বাদাম ১০০ গ্রাম, কিশমিশ ১০০ গ্রাম, ডালিম ১০০ গ্রাম, তবক সাজানোর জন্য ।
উপকরণ :
চিনিগুঁড়া চাল ৫০০ গ্রাম, বাদাম বাটা ১০০ গ্রাম, ঘনদুধ দেড় লিটার, চিনি ৫০০ গ্রাম, ঘি ৫০ গ্রাম, কাজু বাদাম ১০০ গ্রাম, কিশমিশ ১০০ গ্রাম, ডালিম ১০০ গ্রাম, তবক সাজানোর জন্য ।
প্রথমে চাল ধুয়ে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন । এরপর পানি ঝরিয়ে রাখুন । দুধ, চাল, বাদাম বাটা , চিনি একত্রে চুলায় বসিয়ে নাড়তে থাকুন । চাল ফুটে গেলে ঘি দিয়ে দিন ।দুধ ঘন হয়ে এলে ডিশে ঢেলে অল্প ডালিম, কাজু বাদাম ছোট টুকরা করে কিশমিশসহ মিশিয়ে দিন । উপরে কাজু বাদাম, কিশমিশ ডালিম, তবক দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
শবে বরাতে সুস্বাদু বাদাম-দুধের পায়েস
পবিত্র শবে বরাতে সবার ঘরে নানা মিষ্টি জাতীয় খাবারের হিড়িক পড়ে যায়। এইদিন মিষ্টি খাবার একটু বেশি খাওয়া হয়। রান্না হয় নানারকম সেমাই, হালুয়া। তবে পায়েস বাদ যাবে কেন ? রান্না করতে পারেন মজাদার ভিন্ন স্বাদের বাদাম দুধের পায়েস। চলুন রেসিপিটি দেখে নিই।
উপকরণ :
চিনিগুঁড়া চাল ৫০০ গ্রাম, বাদাম বাটা ১০০ গ্রাম, ঘনদুধ দেড় লিটার, চিনি ৫০০ গ্রাম, ঘি ৫০ গ্রাম, কাজু বাদাম ১০০ গ্রাম, কিশমিশ ১০০ গ্রাম, ডালিম ১০০ গ্রাম, তবক সাজানোর জন্য ।
উপকরণ :
চিনিগুঁড়া চাল ৫০০ গ্রাম, বাদাম বাটা ১০০ গ্রাম, ঘনদুধ দেড় লিটার, চিনি ৫০০ গ্রাম, ঘি ৫০ গ্রাম, কাজু বাদাম ১০০ গ্রাম, কিশমিশ ১০০ গ্রাম, ডালিম ১০০ গ্রাম, তবক সাজানোর জন্য ।
প্রথমে চাল ধুয়ে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন । এরপর পানি ঝরিয়ে রাখুন । দুধ, চাল, বাদাম বাটা , চিনি একত্রে চুলায় বসিয়ে নাড়তে থাকুন । চাল ফুটে গেলে ঘি দিয়ে দিন ।দুধ ঘন হয়ে এলে ডিশে ঢেলে অল্প ডালিম, কাজু বাদাম ছোট টুকরা করে কিশমিশসহ মিশিয়ে দিন । উপরে কাজু বাদাম, কিশমিশ ডালিম, তবক দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
Some of the links in this post are affiliate links, which means that I may receive a commission if you purchase something mentioned in this post
This healthy breakfast burrito is paleo, gluten free and the perfect antidote to a boring breakfast rut.
Picture this: it’s a busy morning. You know you’re going to be on the run for hours, and you will need fuel to keep going. But the clock is ticking, and your time left to make a healthy breakfast is running out.
Sound familiar? Yeah, I thought so.
This easy morning wrap might just become your new staple breakfast recipe. Why? It’s low carb with lots of healthy fat and protein, which means it will keep you full for hours and eliminate sugar cravings. It’s packed with nutrient-dense veggies, sometimes hard to find in a breakfast recipe. You wouldn’t normally see a big collard green leaf as your tortilla on a regular Mexican burrito, but that’s what makes this one so much better!
It takes only 15 minutes to throw together, so you can consider it “fast food” because it’s so quick (although it’s so much healthier than what you would normally consider fast food!). Oh, and you can eat it on the run (if you absolutely must)!
Enter this Paleo Breakfast Burrito. And exit your home just in time.
Healthy Breakfast Burrito
Some of the links in this post are affiliate links, which means that I may receive a commission if you purchase something mentioned in this post
This healthy breakfast burrito is paleo, gluten free and the perfect antidote to a boring breakfast rut.
Picture this: it’s a busy morning. You know you’re going to be on the run for hours, and you will need fuel to keep going. But the clock is ticking, and your time left to make a healthy breakfast is running out.
Sound familiar? Yeah, I thought so.
This easy morning wrap might just become your new staple breakfast recipe. Why? It’s low carb with lots of healthy fat and protein, which means it will keep you full for hours and eliminate sugar cravings. It’s packed with nutrient-dense veggies, sometimes hard to find in a breakfast recipe. You wouldn’t normally see a big collard green leaf as your tortilla on a regular Mexican burrito, but that’s what makes this one so much better!
It takes only 15 minutes to throw together, so you can consider it “fast food” because it’s so quick (although it’s so much healthier than what you would normally consider fast food!). Oh, and you can eat it on the run (if you absolutely must)!
Enter this Paleo Breakfast Burrito. And exit your home just in time.
APPLY TOOTHPASTES ON YOUR P.EN.IS BELIEVE YOUR MARRIAGE LIFE WILL DRASTICALLY CHANGE
Most cases of premature ejaculation do not have a clear cause. With sexual experience and age, men often learn to delay orgasm. Premature ejaculation may occur with a new partner. It may happen only in certain sexual situations or if it has been a long time since the last ejaculation. Psychological factors such as anxiety, guilt, or depression can also cause it. In some cases, it may be related to a medical cause such as hormonal problems, injury, or a side effect of certain medicines.
APPLY TOOTHPASTES ON YOUR P.EN.IS BELIEVE YOUR MARRIAGE LIFE WILL DRASTICALLY CHANGE
APPLY TOOTHPASTES ON YOUR P.EN.IS BELIEVE YOUR MARRIAGE LIFE WILL DRASTICALLY CHANGE
Most cases of premature ejaculation do not have a clear cause. With sexual experience and age, men often learn to delay orgasm. Premature ejaculation may occur with a new partner. It may happen only in certain sexual situations or if it has been a long time since the last ejaculation. Psychological factors such as anxiety, guilt, or depression can also cause it. In some cases, it may be related to a medical cause such as hormonal problems, injury, or a side effect of certain medicines.
রক্তস্বল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, সেটা অনেকেই জানেন। কারণ, কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। কিন্তু, এটা জানা আছে কি, আপনার লিভার বা যকৃত্ পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।
অনেক ডাক্তারও রোগীকে ওষুধের পাশাপাশি কিশমিশ প্রেসক্রাইব করেন। কারণ, কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে।
কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না-খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।
রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশক্তিও বাড়ে।
যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ
২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে। তা-ও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু-কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।
খালি পেটে মাত্র ৪ দিন কিশমিশের পানি খান ! কেন খাবেন জানলে এখনই খাওয়া শুরু করবেন?
রক্তস্বল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, সেটা অনেকেই জানেন। কারণ, কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। কিন্তু, এটা জানা আছে কি, আপনার লিভার বা যকৃত্ পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।
অনেক ডাক্তারও রোগীকে ওষুধের পাশাপাশি কিশমিশ প্রেসক্রাইব করেন। কারণ, কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে।
কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না-খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।
রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশক্তিও বাড়ে।
যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ
২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে। তা-ও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু-কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।
সুস্বাদু আমের প্রতি আগ্রহ সবার। মৌসুম চলাকালে আম খাওয়াও হয় প্রচুর। আম খেতে যেমন মজার তেমনি পুষ্টিকর। সারাবছরে আপনার দেহের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টির যোগান আম এই মৌসুমেই দিয়ে থাকে। কাঁচা এবং পাকা উভয় অবস্থাতে আম পুষ্টিগুণে সেরা।
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআম ৪৪ কিলোক্যালোরি ও পাকাআম ১০ ক্যালরি শক্তি প্রদান করে। কাঁচাআমে ৬৩ মি.গ্রা ও পাকাআমে ৪১ মি.গ্রা ভিটামিন সি পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০৪ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.১ মি.গ্রা ভিটামিন বি-১ পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০১ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.০৭ মি.গ্রা বি-২ রয়েছে। কাঁচাআমে ১০ মি.গ্রা ও পাকাআমে ১৬ মি.গ্রা ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। ০.৫ গ্রাম খনিজ লবণ থাকে। কাঁচাআমে ০.৭ গ্রাম প্রোটিন ও ০.২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। পাকাআমে ১ গ্রাম প্রোটিন ও ০.৭ গ্রাম ফ্যাট থাকে। কাঁচাআমে ১০.১ গ্রাম শ্বেতসার ও প্রতি ১০০ গ্রাম পাকাআমে ২০.০০ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ৯০ মাইক্রোগ্রাম এবং পাকাআমে ৮,৩০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। কাঁচাআমে ৫.৪ ও পাকাআমে ১.৩ মি.গ্রা আয়রন পাওয়া যায়।
– আমে থাকা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে।
– আম কর্মশক্তি যোগায়, এতে রয়েছে পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট। আমে থাকা আয়রন অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।
– ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে।
– আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি। আমে রয়েছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২।
– আমে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তস্বল্পতা দূর করে ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। এই ফলের আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা হজমে সহায়তা করে।
– এছাড়াও ক্যারোটিন, আইসো-কেরোটিন, এস্ট্রাগ্যালিন, ফিসেটিন, গ্যালিক অ্যাসিড ইত্যাদি এনজাইম। এসব উপাদান কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, রক্তস্বল্পতা ও প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
– পাকাআম রক্তে কোলেস্টেরলের ক্ষতিকর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ঘামের কারণে শরীর থেকে সোডিয়াম বের হয়ে যায়। কাঁচাআম খেয়ে শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
– কাঁচা আমের পেকটিন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত উপকারী।
– কাঁচা আমের ভিটামিন সি রক্তনালীসমূহের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কনিকা গঠনে সাহায্য করে। এতে করে যক্ষা, রক্তস্বল্পতা ও কলেরা রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
– গরমের কারণে হওয়া স্ট্রোকের সম্ভাবনা হ্রাসে কাঁচাআম ও জিরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
– আমের ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
– আম রূপ চর্চায় সহায়তা করে। রোদের পোড়াভাব কমাতে, ত্বকের দাগ দূর করতে ও ব্রণের সমস্যা দূর করতে আম সাহায্য করে।
সতর্কতা
ডায়াবেটিস রোগীর আম খাওয়ায় সতর্ক থাকা উচিত। পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। তবে অতিরিক্ত আম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।
আমের ১২ স্বাস্থ্য উপকারী গুণ
সুস্বাদু আমের প্রতি আগ্রহ সবার। মৌসুম চলাকালে আম খাওয়াও হয় প্রচুর। আম খেতে যেমন মজার তেমনি পুষ্টিকর। সারাবছরে আপনার দেহের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টির যোগান আম এই মৌসুমেই দিয়ে থাকে। কাঁচা এবং পাকা উভয় অবস্থাতে আম পুষ্টিগুণে সেরা।
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআম ৪৪ কিলোক্যালোরি ও পাকাআম ১০ ক্যালরি শক্তি প্রদান করে। কাঁচাআমে ৬৩ মি.গ্রা ও পাকাআমে ৪১ মি.গ্রা ভিটামিন সি পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০৪ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.১ মি.গ্রা ভিটামিন বি-১ পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০১ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.০৭ মি.গ্রা বি-২ রয়েছে। কাঁচাআমে ১০ মি.গ্রা ও পাকাআমে ১৬ মি.গ্রা ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। ০.৫ গ্রাম খনিজ লবণ থাকে। কাঁচাআমে ০.৭ গ্রাম প্রোটিন ও ০.২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। পাকাআমে ১ গ্রাম প্রোটিন ও ০.৭ গ্রাম ফ্যাট থাকে। কাঁচাআমে ১০.১ গ্রাম শ্বেতসার ও প্রতি ১০০ গ্রাম পাকাআমে ২০.০০ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ৯০ মাইক্রোগ্রাম এবং পাকাআমে ৮,৩০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। কাঁচাআমে ৫.৪ ও পাকাআমে ১.৩ মি.গ্রা আয়রন পাওয়া যায়।
– আমে থাকা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে।
– আম কর্মশক্তি যোগায়, এতে রয়েছে পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট। আমে থাকা আয়রন অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।
– ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে।
– আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি। আমে রয়েছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২।
– আমে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তস্বল্পতা দূর করে ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। এই ফলের আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা হজমে সহায়তা করে।
– এছাড়াও ক্যারোটিন, আইসো-কেরোটিন, এস্ট্রাগ্যালিন, ফিসেটিন, গ্যালিক অ্যাসিড ইত্যাদি এনজাইম। এসব উপাদান কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, রক্তস্বল্পতা ও প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
– পাকাআম রক্তে কোলেস্টেরলের ক্ষতিকর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ঘামের কারণে শরীর থেকে সোডিয়াম বের হয়ে যায়। কাঁচাআম খেয়ে শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
– কাঁচা আমের পেকটিন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত উপকারী।
– কাঁচা আমের ভিটামিন সি রক্তনালীসমূহের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কনিকা গঠনে সাহায্য করে। এতে করে যক্ষা, রক্তস্বল্পতা ও কলেরা রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
– গরমের কারণে হওয়া স্ট্রোকের সম্ভাবনা হ্রাসে কাঁচাআম ও জিরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
– আমের ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
– আম রূপ চর্চায় সহায়তা করে। রোদের পোড়াভাব কমাতে, ত্বকের দাগ দূর করতে ও ব্রণের সমস্যা দূর করতে আম সাহায্য করে।
সতর্কতা
ডায়াবেটিস রোগীর আম খাওয়ায় সতর্ক থাকা উচিত। পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। তবে অতিরিক্ত আম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।
যে সকল মানুষ ডায়াবেটিস এর সাথে লড়াই করে বেঁচে আছেন, তাদেরকে অনেক বার শুনতে হয়েছে যে, ডায়াবেটিস কখনও নিরাময় হয় না। আধুনিক ঔষধ বিভিন্ন ধরণের মরণব্যাধি নিরাময় করতে সক্ষম। কিন্তু, এত ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি থাকা সত্ত্বেও এখনো ডায়াবেটিস সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করার ঔষধ তৈরিতে সক্ষম হয় নি।
এ সকল তথ্য এখন সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। ডাক্তার ডেভিড পিয়ারসন একজন বিখ্যাত ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ । তিনি ডায়াবেটিসের কারনে তার বাবার মৃত্যুর পর এই অসুস্থতাকে বুঝার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেন।
তার গবেষণায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানা যায়। তিনি খুঁজে পান যে-
১. অগ্ন্যাশয়ই একমাত্র অঙ্গ নয় যা ইনসুলিনের পরিমাণ হ্রাস করে।
২. লিভার এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে যার নাম- IGF (Insulin Growth Factor) ইনসুলিনের বৃদ্ধি ফ্যাক্টর।
৩. IGF শরীরের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিনের মত কাজ করে।
৪. IGF ব্যবহার করে খুব সহজেই এবং অল্প খরচে ডায়াবেটিস নিরাময় করা যায়।
৫. ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আসলে এই নিরাময় সম্পর্কে জানত।
এ সকল তথ্য এখন সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। ডাক্তার ডেভিড পিয়ারসন একজন বিখ্যাত ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ । তিনি ডায়াবেটিসের কারনে তার বাবার মৃত্যুর পর এই অসুস্থতাকে বুঝার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেন।
তার গবেষণায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানা যায়। তিনি খুঁজে পান যে-
১. অগ্ন্যাশয়ই একমাত্র অঙ্গ নয় যা ইনসুলিনের পরিমাণ হ্রাস করে।
২. লিভার এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে যার নাম- IGF (Insulin Growth Factor) ইনসুলিনের বৃদ্ধি ফ্যাক্টর।
৩. IGF শরীরের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিনের মত কাজ করে।
৪. IGF ব্যবহার করে খুব সহজেই এবং অল্প খরচে ডায়াবেটিস নিরাময় করা যায়।
৫. ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আসলে এই নিরাময় সম্পর্কে জানত।
ডাক্তার পিয়ারসন এর তথ্যমতে, বিগ ফার্মা এই নিরাময় জ্ঞান সম্পর্কে জানার পরও এই তথ্যটি গোপন করে রাখে। কারন তারা জানেন, এর ফলে তাদের কোন লাভ হবে না। এর পরিবর্তে তারা দামী ঔষধ বিক্রয় করে লাভ করছে এবং অসংখ্য মানুষকে মৃত্যুর মুখে পতিত করছে।
সুতরাং, এভাবেই সকল কার্যক্রম শুরু থেকে চলে আসছে।
সুতরাং, এভাবেই সকল কার্যক্রম শুরু থেকে চলে আসছে।
# ইনসুলিন সম্পর্কে মিথ্যা:
বছরের পর বছর মেডিকেল শিল্প বলেছেন, গ্লুকোজ অগ্ন্যাশয় এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই, টাইপ ১ এর ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগের সাথে সারাজীবন বসবাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়।
বছরের পর বছর মেডিকেল শিল্প বলেছেন, গ্লুকোজ অগ্ন্যাশয় এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই, টাইপ ১ এর ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগের সাথে সারাজীবন বসবাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়।
কিন্তু, শুধুমাত্র ইনসুলিনের মাধ্যমে আপনার শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।
IGF লিভারে তৈরি হয় এবং এটি অবিশ্বাস্যভাবে কার্যকরী। ডাক্তার পিয়ারসন এই ইনসুলিনকে আরও ১০০ গুণ শক্তিশালী বলে খুঁজে পেয়েছেন।
আরও উল্লেখযোগ্য হল আপনার শরীরের স্বাভাবিক IGF এর মাত্রা বৃদ্ধি করা সহজ। এর জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোন দামী ঔষধের প্রয়োজন নেই। আপনি সুস্বাদুভাবে এসকল খাবার খেতে পারেন।
আরও উল্লেখযোগ্য হল আপনার শরীরের স্বাভাবিক IGF এর মাত্রা বৃদ্ধি করা সহজ। এর জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোন দামী ঔষধের প্রয়োজন নেই। আপনি সুস্বাদুভাবে এসকল খাবার খেতে পারেন।
# শ্রেষ্ঠ অংশ:
ডাক্তার পিয়ারসন এর নতুন আবিষ্কার মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে কাজ করে। তার শেকস মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের রোগীদের আরোগ্য করে।
ডাক্তার পিয়ারসন এর নতুন আবিষ্কার মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে কাজ করে। তার শেকস মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের রোগীদের আরোগ্য করে।
# নিরাময়টি বোঝা:
এই নতুন আবিষ্কারটি অনেক সহজ, প্রাকৃতিক এবং খরচ কম। তাই, যে কেউ এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
এটা লিভারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা উন্নত করে যাতে IGF এর মাত্রা সঠিক থাকে। ডাক্তার পিয়ারসন যে খাবার রোগীদের দিয়েছেন তা খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং এর স্বাদও অনেক ভাল।
এই নতুন আবিষ্কারটি অনেক সহজ, প্রাকৃতিক এবং খরচ কম। তাই, যে কেউ এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
এটা লিভারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা উন্নত করে যাতে IGF এর মাত্রা সঠিক থাকে। ডাক্তার পিয়ারসন যে খাবার রোগীদের দিয়েছেন তা খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং এর স্বাদও অনেক ভাল।
রক্ত পরীক্ষা, ঔষধ ও ডাক্তারের ভিজিট করে টাকা দেয়ার চক্র অবশেষে ভঙ্গ করতে পারেন।
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো ডঃ পিয়ারসন কে মানুষের কাছে এ ঔষধ সম্পর্কে না জানানোর জন্য অনেকভাবে থামাতে চেষ্টা করেছেন। তারা যদি সফল হয়ে যান, তাহলে অনেক মানুষ কখনোই এই ডায়াবেটিসের ভয়ংকর ফাঁদ থেকে বের হতে পারবেন না।–সূত্র: ফাইট ডায়াবেটিস ।
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো ডঃ পিয়ারসন কে মানুষের কাছে এ ঔষধ সম্পর্কে না জানানোর জন্য অনেকভাবে থামাতে চেষ্টা করেছেন। তারা যদি সফল হয়ে যান, তাহলে অনেক মানুষ কখনোই এই ডায়াবেটিসের ভয়ংকর ফাঁদ থেকে বের হতে পারবেন না।–সূত্র: ফাইট ডায়াবেটিস ।
সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জোহুরা।
সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করা যায় ‘ডায়াবেটিস
যে সকল মানুষ ডায়াবেটিস এর সাথে লড়াই করে বেঁচে আছেন, তাদেরকে অনেক বার শুনতে হয়েছে যে, ডায়াবেটিস কখনও নিরাময় হয় না। আধুনিক ঔষধ বিভিন্ন ধরণের মরণব্যাধি নিরাময় করতে সক্ষম। কিন্তু, এত ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি থাকা সত্ত্বেও এখনো ডায়াবেটিস সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করার ঔষধ তৈরিতে সক্ষম হয় নি।
এ সকল তথ্য এখন সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। ডাক্তার ডেভিড পিয়ারসন একজন বিখ্যাত ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ । তিনি ডায়াবেটিসের কারনে তার বাবার মৃত্যুর পর এই অসুস্থতাকে বুঝার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেন।
তার গবেষণায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানা যায়। তিনি খুঁজে পান যে-
১. অগ্ন্যাশয়ই একমাত্র অঙ্গ নয় যা ইনসুলিনের পরিমাণ হ্রাস করে।
২. লিভার এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে যার নাম- IGF (Insulin Growth Factor) ইনসুলিনের বৃদ্ধি ফ্যাক্টর।
৩. IGF শরীরের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিনের মত কাজ করে।
৪. IGF ব্যবহার করে খুব সহজেই এবং অল্প খরচে ডায়াবেটিস নিরাময় করা যায়।
৫. ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আসলে এই নিরাময় সম্পর্কে জানত।
এ সকল তথ্য এখন সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। ডাক্তার ডেভিড পিয়ারসন একজন বিখ্যাত ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ । তিনি ডায়াবেটিসের কারনে তার বাবার মৃত্যুর পর এই অসুস্থতাকে বুঝার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেন।
তার গবেষণায় কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানা যায়। তিনি খুঁজে পান যে-
১. অগ্ন্যাশয়ই একমাত্র অঙ্গ নয় যা ইনসুলিনের পরিমাণ হ্রাস করে।
২. লিভার এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে যার নাম- IGF (Insulin Growth Factor) ইনসুলিনের বৃদ্ধি ফ্যাক্টর।
৩. IGF শরীরের গ্লুকোজ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিনের মত কাজ করে।
৪. IGF ব্যবহার করে খুব সহজেই এবং অল্প খরচে ডায়াবেটিস নিরাময় করা যায়।
৫. ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আসলে এই নিরাময় সম্পর্কে জানত।
ডাক্তার পিয়ারসন এর তথ্যমতে, বিগ ফার্মা এই নিরাময় জ্ঞান সম্পর্কে জানার পরও এই তথ্যটি গোপন করে রাখে। কারন তারা জানেন, এর ফলে তাদের কোন লাভ হবে না। এর পরিবর্তে তারা দামী ঔষধ বিক্রয় করে লাভ করছে এবং অসংখ্য মানুষকে মৃত্যুর মুখে পতিত করছে।
সুতরাং, এভাবেই সকল কার্যক্রম শুরু থেকে চলে আসছে।
সুতরাং, এভাবেই সকল কার্যক্রম শুরু থেকে চলে আসছে।
# ইনসুলিন সম্পর্কে মিথ্যা:
বছরের পর বছর মেডিকেল শিল্প বলেছেন, গ্লুকোজ অগ্ন্যাশয় এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই, টাইপ ১ এর ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগের সাথে সারাজীবন বসবাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়।
বছরের পর বছর মেডিকেল শিল্প বলেছেন, গ্লুকোজ অগ্ন্যাশয় এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই, টাইপ ১ এর ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগের সাথে সারাজীবন বসবাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়।
কিন্তু, শুধুমাত্র ইনসুলিনের মাধ্যমে আপনার শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।
IGF লিভারে তৈরি হয় এবং এটি অবিশ্বাস্যভাবে কার্যকরী। ডাক্তার পিয়ারসন এই ইনসুলিনকে আরও ১০০ গুণ শক্তিশালী বলে খুঁজে পেয়েছেন।
আরও উল্লেখযোগ্য হল আপনার শরীরের স্বাভাবিক IGF এর মাত্রা বৃদ্ধি করা সহজ। এর জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোন দামী ঔষধের প্রয়োজন নেই। আপনি সুস্বাদুভাবে এসকল খাবার খেতে পারেন।
আরও উল্লেখযোগ্য হল আপনার শরীরের স্বাভাবিক IGF এর মাত্রা বৃদ্ধি করা সহজ। এর জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোন দামী ঔষধের প্রয়োজন নেই। আপনি সুস্বাদুভাবে এসকল খাবার খেতে পারেন।
# শ্রেষ্ঠ অংশ:
ডাক্তার পিয়ারসন এর নতুন আবিষ্কার মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে কাজ করে। তার শেকস মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের রোগীদের আরোগ্য করে।
ডাক্তার পিয়ারসন এর নতুন আবিষ্কার মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে কাজ করে। তার শেকস মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের রোগীদের আরোগ্য করে।
# নিরাময়টি বোঝা:
এই নতুন আবিষ্কারটি অনেক সহজ, প্রাকৃতিক এবং খরচ কম। তাই, যে কেউ এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
এটা লিভারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা উন্নত করে যাতে IGF এর মাত্রা সঠিক থাকে। ডাক্তার পিয়ারসন যে খাবার রোগীদের দিয়েছেন তা খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং এর স্বাদও অনেক ভাল।
এই নতুন আবিষ্কারটি অনেক সহজ, প্রাকৃতিক এবং খরচ কম। তাই, যে কেউ এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
এটা লিভারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা উন্নত করে যাতে IGF এর মাত্রা সঠিক থাকে। ডাক্তার পিয়ারসন যে খাবার রোগীদের দিয়েছেন তা খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং এর স্বাদও অনেক ভাল।
রক্ত পরীক্ষা, ঔষধ ও ডাক্তারের ভিজিট করে টাকা দেয়ার চক্র অবশেষে ভঙ্গ করতে পারেন।
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো ডঃ পিয়ারসন কে মানুষের কাছে এ ঔষধ সম্পর্কে না জানানোর জন্য অনেকভাবে থামাতে চেষ্টা করেছেন। তারা যদি সফল হয়ে যান, তাহলে অনেক মানুষ কখনোই এই ডায়াবেটিসের ভয়ংকর ফাঁদ থেকে বের হতে পারবেন না।–সূত্র: ফাইট ডায়াবেটিস ।
ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো ডঃ পিয়ারসন কে মানুষের কাছে এ ঔষধ সম্পর্কে না জানানোর জন্য অনেকভাবে থামাতে চেষ্টা করেছেন। তারা যদি সফল হয়ে যান, তাহলে অনেক মানুষ কখনোই এই ডায়াবেটিসের ভয়ংকর ফাঁদ থেকে বের হতে পারবেন না।–সূত্র: ফাইট ডায়াবেটিস ।
সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জোহুরা।
কম ক্যালরি যুক্ত গাজরের হালুয়া
মিষ্টি খাবার খাওয়ার প্রবণতা কম বেশি সবার মাঝেই থাকে| তাই, মিষ্টি খাবার খাওয়ার ইচ্ছা আমাদের প্রায়ই হয়ে থাকে| ঘন ঘন মিষ্টি খাবার খেলে ওজন তো বাড়বেই, সেই সাথে ওজন সম্পর্কিত অন্যান্য অসুখও হতে পারে| সাধারণত: আমরা বাড়িতে যে রকম গাজরের হালুয়া খাই, তাতে অনেক ক্যালরি থাকে| একবারে এত ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়া ঠিক নয়|
তাছাড়া সাধারণত: চিনির কোনো দরকার আমাদের শরীরে নেই| তাই যখন আপনাদের মিষ্টি খাবার খেতে ইচ্ছা করবে তখন এই মজাদার গাজরের হালুয়া খেয়ে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা মেটাতে পারেন| এতে করে আপনার ওজনের সমস্যা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা, যেমন: ডায়বেটিস বাড়ার সম্ভাবনা নেই|
গাজর একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি| এতে আছে ভিটামিন এ , সি, ডি, কে, বি১, বি৬, লাইকোপেন, বিটা ও গামা ক্যারোটিন, মিনারেল, চিনি, biotin, potassium, calcium, magnesium, phosphorus, organic sodium,ফাইবার, ও anti oxidants| তাই গাজর আমাদের স্বাস্থের জন্য, আমাদের ত্বক ও চোখের জন্য খুবই ভালো|| ক্যান্সার প্রতিরোধ করা ছাড়াও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও রোগ সারাতেও গাজর ভূমিকা রাখে|
দুধ দেবার ফলে এতে থাকছে ক্যালসিয়াম, আমিষ| বাদাম থেকেও পাওয়া যাবে আমিষ, ফাইবার, Anti-oxidants, ওমেগা ৩| কিশমিশেও আছে অনেক ভিটামিন, ও ফাইবার|
সাধারণত: আমরা চিনি, ফ্যাট যুক্ত দুধ, মাওয়া ও ঘি দিয়ে উচ্চ ক্যালরি ও ফ্যাট যুক্ত গাজরের হালুয়া খাই| কিন্তু এই রেসিপিতে কম ফ্যাট বা ননী বিহীন দুধ ব্যবহার করা হয়েছে, তাছাড়া চিনির পরিবর্তে ডায়েট সুগার ব্যবহার করে ক্যালরি কমানো হয়েছে| মাওয়ার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কম ফ্যাট যুক্ত গুড়া দুধ| তাছাড়া কিশমিশ, বাদাম দেবার ফলে এটি হয়েছে আরো হে
কম ক্যালরি যুক্ত গাজরের হালুয়া
কম ক্যালরি যুক্ত গাজরের হালুয়া
মিষ্টি খাবার খাওয়ার প্রবণতা কম বেশি সবার মাঝেই থাকে| তাই, মিষ্টি খাবার খাওয়ার ইচ্ছা আমাদের প্রায়ই হয়ে থাকে| ঘন ঘন মিষ্টি খাবার খেলে ওজন তো বাড়বেই, সেই সাথে ওজন সম্পর্কিত অন্যান্য অসুখও হতে পারে| সাধারণত: আমরা বাড়িতে যে রকম গাজরের হালুয়া খাই, তাতে অনেক ক্যালরি থাকে| একবারে এত ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়া ঠিক নয়|
তাছাড়া সাধারণত: চিনির কোনো দরকার আমাদের শরীরে নেই| তাই যখন আপনাদের মিষ্টি খাবার খেতে ইচ্ছা করবে তখন এই মজাদার গাজরের হালুয়া খেয়ে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা মেটাতে পারেন| এতে করে আপনার ওজনের সমস্যা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা, যেমন: ডায়বেটিস বাড়ার সম্ভাবনা নেই|
গাজর একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি| এতে আছে ভিটামিন এ , সি, ডি, কে, বি১, বি৬, লাইকোপেন, বিটা ও গামা ক্যারোটিন, মিনারেল, চিনি, biotin, potassium, calcium, magnesium, phosphorus, organic sodium,ফাইবার, ও anti oxidants| তাই গাজর আমাদের স্বাস্থের জন্য, আমাদের ত্বক ও চোখের জন্য খুবই ভালো|| ক্যান্সার প্রতিরোধ করা ছাড়াও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও রোগ সারাতেও গাজর ভূমিকা রাখে|
দুধ দেবার ফলে এতে থাকছে ক্যালসিয়াম, আমিষ| বাদাম থেকেও পাওয়া যাবে আমিষ, ফাইবার, Anti-oxidants, ওমেগা ৩| কিশমিশেও আছে অনেক ভিটামিন, ও ফাইবার|
সাধারণত: আমরা চিনি, ফ্যাট যুক্ত দুধ, মাওয়া ও ঘি দিয়ে উচ্চ ক্যালরি ও ফ্যাট যুক্ত গাজরের হালুয়া খাই| কিন্তু এই রেসিপিতে কম ফ্যাট বা ননী বিহীন দুধ ব্যবহার করা হয়েছে, তাছাড়া চিনির পরিবর্তে ডায়েট সুগার ব্যবহার করে ক্যালরি কমানো হয়েছে| মাওয়ার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কম ফ্যাট যুক্ত গুড়া দুধ| তাছাড়া কিশমিশ, বাদাম দেবার ফলে এটি হয়েছে আরো হে
প্রিয় পাঠক, রমজানের শুভেচ্ছা|সবাই কেমন আছেন?রোজা কেমন চলছে? সবার শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে?
সারাদিন রোজা রেখে সবাই আমরা ইফতারের সময়ের অপেক্ষায় থাকি| ভাবি ইফতারের সময়ে পাগলের মতো খাবো|কত রকম মজার মজার খাবার থাকে ইফতারের আয়োজনে ! এই পাগলের মতো বা বেশি মাত্রায় খাওয়ার ফলে, রোজার যে আসল উদ্দেশ্য–সংযম, সেই সংযম কিন্তু এতে নষ্ট হয়ে যায়| সেই সাথে নষ্ট হয় আমাদের শরীরের হজম প্রক্রিয়া |তাছাড়া একসাথে এতরকমের ও এত বেশি খাবার খাওয়ার ফলে, ওজনও বেড়ে যায়|
রমজানে আমাদের শরীরে অনেক রকম শারীরিক পরিবর্তন আসে| অনেক সময় ধরে না খেয়ে থাকার ফলে শরীরের এনজাইম, যা হজম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরী হয়,তা বন্ধ থাকে| তাই সেই হজম প্রক্রিয়া আবার শুরু করার সবচাইতে ভালো উপায় হচ্ছে- ধীরে সহজপাচ্য খাবার খেয়ে শুরু করা| তাছাড়া পাকস্থলীর ভিতরের মিউকাস আবরণও সংকুচিত অবস্থায় থাকে, ফলে যদি কোনো ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত ঝাল মশলা যুক্ত, তৈলাক্ত, গরম, গুরুপাক খাবার হঠাত করে পেটে পড়ে, তবে পেটে জ্বালা পোড়া করতে পারে| তাই শুরুতেই দরকার নরম, ঠান্ডা, সহজপাচ্য খাবার| অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে, হজম প্রক্রিয়া শুরু হতে দেরী হয়, শরীরের খাবার শোষণ করতেও সময় লাগে, তাই ইফতারে যদি বেশি বেশি খাবার খান, তবে বদহজম ,বমিভাব, পেটে ব্যথা, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি হতে পারে| রোজা রাখা অবস্থায় আমাদের শরীরে খাদ্যের অভাবে শরীর কোনো শক্তি উত্পন্ন করে না| তাই শরীরের শক্তির জন্যে মাসেল থেকে শক্তি উত্পন্ন করে|পাকস্থলী ছোট হয়ে যায়, কারণ অনেকক্ষণ কোনো খাবার পায় না, তাই রোজা ভাঙ্গতে খাবার নির্বাচন করতে হবে বুঝে শুনে ,কারণ তখন শরীর খাবার হজম করতে সময় নেয়, বা তৈরী থাকে না, শরীরে খাবারের পুষ্টি শোষনেও সময় নেয় |
তাই ইফতারের খাওয়া বা রোজা ভাঙ্গার স্বাস্থ্যসম্মত উপায় কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিচ্ছি :
- রোজা ভাঙ্গতে প্রথমে পানি/ফলের জুস খান|রোজা রাখার ফলে শরীরে, যে পানি শুন্যতা হয়, তার ফলে শরীরের রক্ত চাপ কমে যায়, ব্রেইনে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়, তাই মাথা ঘোরা, কাজে মনোযোগের অভাব ইত্যাদি হয়| তাই প্রথমেই পানিশুন্যতা দূর করা দরকার|
- তারপর খেজুর, ফল,ফলের জুস খান|খেজুর স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই উপকারী| কারণ, এতে আছে শর্করা , চিনি , sodium, calcium, magnesium, phosphorus, iron, copper, sulfur, manganese, silicon , chlorine,ফাইবার , যা সারাদিন রোযারাখার পরে খুবই দরকারী|আর খেজুর খেতেও খুব সুস্বাদু|
- ফল বা ফলের জুস সহজপাচ্য| ফলে আছে অনেক ভিটামিন ও মিনারেলস, সারাদিন রোজা রেখে আমাদের শরীর এগুলোর জন্যে অপেক্ষ্যায় থাকে| তাছাড়া ফলে গ্লুকোস থাকে, যা সারাদিন রোজা রাখার পরে আমাদের শরীরে দরকার হয়| ফলে পানিও থাকে, তাই ফল শরীরে পানিরও চাহিদা মেটায়|
- শুধু ফলের জুস না পান করে, ফলের সাথে সবজি মিশিয়েও ফল+সবজির জুস পান করতে পারেন
- ফলের মধ্যে খেজুর, তরমুজ, পেঁপে, আপেল, আঙ্গুর,আম, পেয়ারা, নাশপাতি ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে| নানা রকম ফল মিশিয়ে ফলের চাট/সালাদ বানিয়েও একসাথে খেতে পারেন
- citrus বা লেবু জাতীয় খাবার দিয়ে রোজা ভাঙ্গলে, তা এসিডিটির কারণ হতে পারে|তাই লেবুর শরবত ইফতারের শুরুতে না পান করাই ভালো|
- ফলের পরে সিদ্ধ সবজি, সবজির স্যুপ, সবজির জুস, সালাদ ইত্যাদি খেতে পারেন|সবজিও খুবই সহজ পাচ্য ও ও মিনারেলস সমৃধ্ব খাবার| সবজির সাথে কিছু শাক পাতা রাখলেও সেটা হজমে সহায়ক যেমন হবে, তেমনি শরীরে পুষ্টিও পাবে| যেমন: সবজির সাথে শাক, সালাদের সাথে লেটুস খেতে পারেন
- আরেকটি খাবার ইফতারের শুরুতে খেতে পারেন, আর তা হলো: স্প্রাউট|তাছাড়া কাঁচা ছোলাও খাওয়া যেতে পারে| এগুলো সবজির সাথে বা সালাদের সাথে খেতে পারেন| স্প্রাউট হচ্ছে উদ্ভিন্ন বীজ, যাতে আছে চিনি, ভিটামিন,মিনারেলস, antioxidants, যা শরীরে সহজেই হজম ও শোষণ হয়|এতে chlorophyll ও আছে, যা শরীরের ভেতর পরিষ্কার রাখে|
- কম চর্বি যুক্ত পনির বা টকদইও রাখতে পারেন ইফতারের প্লেটে|সেক্ষেত্রে টক দইয়ের লাচ্ছি, মাঠা, ইত্যাদি পান করা যেতে পারে |সালাদের ড্রেসিং হিসাবেও টক দই ব্যবহার করা যেতে পারে
- পানি ,শরবত,ফল, সবজি ইত্যাদি খাবার পরে, অল্প শর্করা খাওয়া উচিত|
- শর্করার ক্ষেত্রে যাতে কম GI (Glycemic Index), যা রক্তে গ্লুকোসের মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না, তা খেতে হবে|সে ক্ষেত্রে জটিল শর্করা, যেমন: লাল আটা, লাল চাল, ইত্যাদি খাওয়া ভালো|কারণ, জটিল শর্করা, রক্তে দ্রুত ইনসুলিন বাড়ায় না, হজম হতে সময় নেয়, এগুলোতে আঁশও থাকে প্রচুর|মিষ্টি আলুও জটিল শর্করা তাই এটিও রাখতে পারেন ইফতারে|মিষ্টি আলুতে এই উপকারিতাগুলো ছাড়াও আছে প্রচুর beta-carotene, Vitamin C , ও potassium|©fitnessbd.com
- প্রোটিনও দরকার ইফতারে, কারণ রোজা রাখলে খাবার ও আমিষের অভাবে, মাসেল ভাঙতে থাকে,তাই সেই ক্ষতি পূরণের জন্যে সহজপাচ্য আমিষ রাখতে পারেন, যেমন: ডিম|ডিমের বিকল্প প্রোটিন হতে পারে, ডাল, বিনস, টফু, মাছ, মুরগির মাংশ ইত্যাদি|
- আরেকটি ভালো খাবার বাদাম|এটিও ইফতারের খাবারে রাখতে পারেন, যেমন: সালাদে, সবজিতে, ফলের চাটে ইত্যাদিতে|
- যে খাবারই খান, তা যেনো সহজ পাচ্য হয়, শরীরে শক্তি ও পুষ্টি যোগায়|আর কোনো ভাবেই এক পরিবেশনের বেশি পরিমানে না হয়|অর্থাৎ প্রতিটি খাবার খেতে হবে পরিমিত পরিমানে|
- আর সেই সাথে অনেক আঁশ সম্দৃধ্ব খাবারও রাখতে হবে ইফতারে|তাহলে আর হজমের সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য হবে না| ©fitnessbd.com
- খাবার ধীরে ও ভালো ভাবে চিবিয়ে খান | ভালো ভাবে চিবিয়ে খেলে খাবার হজমে সহায়ক হয়, কারণ, চাবানোর ফলে ব্রেইন হজমে সহায়ক এনজাইম নি:স্বরণে সাহায্য করে|
- পেট পুরা ভর্তি করে না খেয়ে একটু ক্ষুধা রেখে বা পেট ভরা শুরু করলেই খাওয়া বন্ধ করে দিন| কারণ আমাদের ব্রেইনে বা শরীরে ২০ মিনিট পরে পেট ভরা বোধ হয়|
- অতিরিক্ত লবনাক্ত, চিনিযুক্ত পানীয় বা খাবারও যেনো না থাকে ইফতারের প্লেটে|
- অতিরিক্ত তেল, তেলে ভাজা, গুরুপাক খাবার ইত্যাদি ইফতারে খাওয়া ঠিক নয়| এগুলো হজমে সমস্যা হয়, অতিরিক্ত ক্যালরি বহুলও|
- চা,কফি দিয়েও ইফতার ভাঙবেন না|
- সারাদিন রোজা রেখে আমাদের শরীরের হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, তাই রোজা ভাঙ্গতে যদি ভাজা পোড়া বা গুরুপাক খাবার খান, তবে বদহজম, পেটের সমস্যা, মাথাঘোরা, বমিভাব ইত্যাদি হতে পারে| গ্যাস্ট্রিক আলসারের রোগীদের তো এই বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে|খেতে হবে সহজপাচ্য ও পরিমিত খাবার|মনে রাখবেন অতিরিক্ত খাওয়া বা গুরুপাক খাবার খাওয়া মানে আপনি আপনার শরীরের ওপর অত্যাচার করছেন
সারাদিন রোজা রেখে আমাদের চামড়া বিবর্ণ হয়ে যায় বা কুচকে যায়, তাই বেশি বেশি পানি, ফল, সবজি খেলে এই সমস্যাও দূর করা যায়|
রোজার খাওয়া দাওয়া, নমুনা ইফতার এবং সেহেরি, রোজার ব্যায়াম, ইফতারের খাবার গুলোর ক্যালরি মান–এই পোস্টগুলোও রোজায় আপনাদের অনেক উপকারে আসবে|
মনে রাখবেন, রোজায় সুস্থ্য থাকতে পরিমিত খাওয়া, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ, কর্মচঞ্চল থাকা, আর নিয়মিত ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া দরকার| রোজার মাস হতে পারে আমাদের সংযমী হয়ে খাওয়া ও ডায়েট করার একটি শিক্ষার মাস|
রোজায় সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি|
এই পোস্টটি কেমন লাগলো তা জানাবেন, ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করুন ও পোস্টটির রেটিং দিন|
ফিটনেস বাংলাদেশের লেখা ভালো লাগলে, ইমেইলে নিয়মিত নতুন পোস্ট পেতে উপরে ডান দিকে আপনার ইমেল ঠিকানাটি লিখে subscribe করুন|
প্রিয় পাঠক, রমজানের শুভেচ্ছা|সবাই কেমন আছেন?রোজা কেমন চলছে? সবার শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে?
প্রিয় পাঠক, রমজানের শুভেচ্ছা|সবাই কেমন আছেন?রোজা কেমন চলছে? সবার শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে?
সারাদিন রোজা রেখে সবাই আমরা ইফতারের সময়ের অপেক্ষায় থাকি| ভাবি ইফতারের সময়ে পাগলের মতো খাবো|কত রকম মজার মজার খাবার থাকে ইফতারের আয়োজনে ! এই পাগলের মতো বা বেশি মাত্রায় খাওয়ার ফলে, রোজার যে আসল উদ্দেশ্য–সংযম, সেই সংযম কিন্তু এতে নষ্ট হয়ে যায়| সেই সাথে নষ্ট হয় আমাদের শরীরের হজম প্রক্রিয়া |তাছাড়া একসাথে এতরকমের ও এত বেশি খাবার খাওয়ার ফলে, ওজনও বেড়ে যায়|
রমজানে আমাদের শরীরে অনেক রকম শারীরিক পরিবর্তন আসে| অনেক সময় ধরে না খেয়ে থাকার ফলে শরীরের এনজাইম, যা হজম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরী হয়,তা বন্ধ থাকে| তাই সেই হজম প্রক্রিয়া আবার শুরু করার সবচাইতে ভালো উপায় হচ্ছে- ধীরে সহজপাচ্য খাবার খেয়ে শুরু করা| তাছাড়া পাকস্থলীর ভিতরের মিউকাস আবরণও সংকুচিত অবস্থায় থাকে, ফলে যদি কোনো ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত ঝাল মশলা যুক্ত, তৈলাক্ত, গরম, গুরুপাক খাবার হঠাত করে পেটে পড়ে, তবে পেটে জ্বালা পোড়া করতে পারে| তাই শুরুতেই দরকার নরম, ঠান্ডা, সহজপাচ্য খাবার| অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে, হজম প্রক্রিয়া শুরু হতে দেরী হয়, শরীরের খাবার শোষণ করতেও সময় লাগে, তাই ইফতারে যদি বেশি বেশি খাবার খান, তবে বদহজম ,বমিভাব, পেটে ব্যথা, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি হতে পারে| রোজা রাখা অবস্থায় আমাদের শরীরে খাদ্যের অভাবে শরীর কোনো শক্তি উত্পন্ন করে না| তাই শরীরের শক্তির জন্যে মাসেল থেকে শক্তি উত্পন্ন করে|পাকস্থলী ছোট হয়ে যায়, কারণ অনেকক্ষণ কোনো খাবার পায় না, তাই রোজা ভাঙ্গতে খাবার নির্বাচন করতে হবে বুঝে শুনে ,কারণ তখন শরীর খাবার হজম করতে সময় নেয়, বা তৈরী থাকে না, শরীরে খাবারের পুষ্টি শোষনেও সময় নেয় |
তাই ইফতারের খাওয়া বা রোজা ভাঙ্গার স্বাস্থ্যসম্মত উপায় কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিচ্ছি :
- রোজা ভাঙ্গতে প্রথমে পানি/ফলের জুস খান|রোজা রাখার ফলে শরীরে, যে পানি শুন্যতা হয়, তার ফলে শরীরের রক্ত চাপ কমে যায়, ব্রেইনে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়, তাই মাথা ঘোরা, কাজে মনোযোগের অভাব ইত্যাদি হয়| তাই প্রথমেই পানিশুন্যতা দূর করা দরকার|
- তারপর খেজুর, ফল,ফলের জুস খান|খেজুর স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই উপকারী| কারণ, এতে আছে শর্করা , চিনি , sodium, calcium, magnesium, phosphorus, iron, copper, sulfur, manganese, silicon , chlorine,ফাইবার , যা সারাদিন রোযারাখার পরে খুবই দরকারী|আর খেজুর খেতেও খুব সুস্বাদু|
- ফল বা ফলের জুস সহজপাচ্য| ফলে আছে অনেক ভিটামিন ও মিনারেলস, সারাদিন রোজা রেখে আমাদের শরীর এগুলোর জন্যে অপেক্ষ্যায় থাকে| তাছাড়া ফলে গ্লুকোস থাকে, যা সারাদিন রোজা রাখার পরে আমাদের শরীরে দরকার হয়| ফলে পানিও থাকে, তাই ফল শরীরে পানিরও চাহিদা মেটায়|
- শুধু ফলের জুস না পান করে, ফলের সাথে সবজি মিশিয়েও ফল+সবজির জুস পান করতে পারেন
- ফলের মধ্যে খেজুর, তরমুজ, পেঁপে, আপেল, আঙ্গুর,আম, পেয়ারা, নাশপাতি ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে| নানা রকম ফল মিশিয়ে ফলের চাট/সালাদ বানিয়েও একসাথে খেতে পারেন
- citrus বা লেবু জাতীয় খাবার দিয়ে রোজা ভাঙ্গলে, তা এসিডিটির কারণ হতে পারে|তাই লেবুর শরবত ইফতারের শুরুতে না পান করাই ভালো|
- ফলের পরে সিদ্ধ সবজি, সবজির স্যুপ, সবজির জুস, সালাদ ইত্যাদি খেতে পারেন|সবজিও খুবই সহজ পাচ্য ও ও মিনারেলস সমৃধ্ব খাবার| সবজির সাথে কিছু শাক পাতা রাখলেও সেটা হজমে সহায়ক যেমন হবে, তেমনি শরীরে পুষ্টিও পাবে| যেমন: সবজির সাথে শাক, সালাদের সাথে লেটুস খেতে পারেন
- আরেকটি খাবার ইফতারের শুরুতে খেতে পারেন, আর তা হলো: স্প্রাউট|তাছাড়া কাঁচা ছোলাও খাওয়া যেতে পারে| এগুলো সবজির সাথে বা সালাদের সাথে খেতে পারেন| স্প্রাউট হচ্ছে উদ্ভিন্ন বীজ, যাতে আছে চিনি, ভিটামিন,মিনারেলস, antioxidants, যা শরীরে সহজেই হজম ও শোষণ হয়|এতে chlorophyll ও আছে, যা শরীরের ভেতর পরিষ্কার রাখে|
- কম চর্বি যুক্ত পনির বা টকদইও রাখতে পারেন ইফতারের প্লেটে|সেক্ষেত্রে টক দইয়ের লাচ্ছি, মাঠা, ইত্যাদি পান করা যেতে পারে |সালাদের ড্রেসিং হিসাবেও টক দই ব্যবহার করা যেতে পারে
- পানি ,শরবত,ফল, সবজি ইত্যাদি খাবার পরে, অল্প শর্করা খাওয়া উচিত|
- শর্করার ক্ষেত্রে যাতে কম GI (Glycemic Index), যা রক্তে গ্লুকোসের মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না, তা খেতে হবে|সে ক্ষেত্রে জটিল শর্করা, যেমন: লাল আটা, লাল চাল, ইত্যাদি খাওয়া ভালো|কারণ, জটিল শর্করা, রক্তে দ্রুত ইনসুলিন বাড়ায় না, হজম হতে সময় নেয়, এগুলোতে আঁশও থাকে প্রচুর|মিষ্টি আলুও জটিল শর্করা তাই এটিও রাখতে পারেন ইফতারে|মিষ্টি আলুতে এই উপকারিতাগুলো ছাড়াও আছে প্রচুর beta-carotene, Vitamin C , ও potassium|©fitnessbd.com
- প্রোটিনও দরকার ইফতারে, কারণ রোজা রাখলে খাবার ও আমিষের অভাবে, মাসেল ভাঙতে থাকে,তাই সেই ক্ষতি পূরণের জন্যে সহজপাচ্য আমিষ রাখতে পারেন, যেমন: ডিম|ডিমের বিকল্প প্রোটিন হতে পারে, ডাল, বিনস, টফু, মাছ, মুরগির মাংশ ইত্যাদি|
- আরেকটি ভালো খাবার বাদাম|এটিও ইফতারের খাবারে রাখতে পারেন, যেমন: সালাদে, সবজিতে, ফলের চাটে ইত্যাদিতে|
- যে খাবারই খান, তা যেনো সহজ পাচ্য হয়, শরীরে শক্তি ও পুষ্টি যোগায়|আর কোনো ভাবেই এক পরিবেশনের বেশি পরিমানে না হয়|অর্থাৎ প্রতিটি খাবার খেতে হবে পরিমিত পরিমানে|
- আর সেই সাথে অনেক আঁশ সম্দৃধ্ব খাবারও রাখতে হবে ইফতারে|তাহলে আর হজমের সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য হবে না| ©fitnessbd.com
- খাবার ধীরে ও ভালো ভাবে চিবিয়ে খান | ভালো ভাবে চিবিয়ে খেলে খাবার হজমে সহায়ক হয়, কারণ, চাবানোর ফলে ব্রেইন হজমে সহায়ক এনজাইম নি:স্বরণে সাহায্য করে|
- পেট পুরা ভর্তি করে না খেয়ে একটু ক্ষুধা রেখে বা পেট ভরা শুরু করলেই খাওয়া বন্ধ করে দিন| কারণ আমাদের ব্রেইনে বা শরীরে ২০ মিনিট পরে পেট ভরা বোধ হয়|
- অতিরিক্ত লবনাক্ত, চিনিযুক্ত পানীয় বা খাবারও যেনো না থাকে ইফতারের প্লেটে|
- অতিরিক্ত তেল, তেলে ভাজা, গুরুপাক খাবার ইত্যাদি ইফতারে খাওয়া ঠিক নয়| এগুলো হজমে সমস্যা হয়, অতিরিক্ত ক্যালরি বহুলও|
- চা,কফি দিয়েও ইফতার ভাঙবেন না|
- সারাদিন রোজা রেখে আমাদের শরীরের হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, তাই রোজা ভাঙ্গতে যদি ভাজা পোড়া বা গুরুপাক খাবার খান, তবে বদহজম, পেটের সমস্যা, মাথাঘোরা, বমিভাব ইত্যাদি হতে পারে| গ্যাস্ট্রিক আলসারের রোগীদের তো এই বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে|খেতে হবে সহজপাচ্য ও পরিমিত খাবার|মনে রাখবেন অতিরিক্ত খাওয়া বা গুরুপাক খাবার খাওয়া মানে আপনি আপনার শরীরের ওপর অত্যাচার করছেন
সারাদিন রোজা রেখে আমাদের চামড়া বিবর্ণ হয়ে যায় বা কুচকে যায়, তাই বেশি বেশি পানি, ফল, সবজি খেলে এই সমস্যাও দূর করা যায়|
রোজার খাওয়া দাওয়া, নমুনা ইফতার এবং সেহেরি, রোজার ব্যায়াম, ইফতারের খাবার গুলোর ক্যালরি মান–এই পোস্টগুলোও রোজায় আপনাদের অনেক উপকারে আসবে|
মনে রাখবেন, রোজায় সুস্থ্য থাকতে পরিমিত খাওয়া, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ, কর্মচঞ্চল থাকা, আর নিয়মিত ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া দরকার| রোজার মাস হতে পারে আমাদের সংযমী হয়ে খাওয়া ও ডায়েট করার একটি শিক্ষার মাস|
রোজায় সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি|
এই পোস্টটি কেমন লাগলো তা জানাবেন, ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করুন ও পোস্টটির রেটিং দিন|
ফিটনেস বাংলাদেশের লেখা ভালো লাগলে, ইমেইলে নিয়মিত নতুন পোস্ট পেতে উপরে ডান দিকে আপনার ইমেল ঠিকানাটি লিখে subscribe করুন|
বসন্তের ফল স্ট্রবেরি: পুষ্টির শক্তিশালী আধার
প্রিয় পাঠক, সবাইকে সালাম ও বসন্তের শুভেচ্ছা|সবাই কেমন আছেন?
বসন্তে প্রকৃতিতে অনেক রঙের সমাহার হয়|নানক রকম রঙ্গিন ফুল আমাদের মনকে রাঙিয়ে যায়|প্রকৃতি আমাদের এই রঙ্গিন ফুল দিয়ে মনের সৌন্দর্য বা ফিটনেস বাড়ায়|
আর শারীরিক ফিটনেসের জন্যে প্রকৃতি আনে একটি অত্যান্ত সুস্বাদু ও সুন্দর ফল—স্ট্রবেরি| অনেকে হয়তো ভাবছেন দেশীয় এত ফল থাকতে এই স্ট্রবেরির গুনাগুন কেন? এই স্ট্রবেরি ফলটি বিদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হেলদি ফল|কারণ এই ফলটি নি:সন্দেহে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে অনেক ভালো| তাছাড়া অনেক খাবারেই এটি ব্যবহৃত হয়|
দেশে এখন স্ট্রবেরির চাষ হচ্ছে| তাই এই বসন্তে এটি প্রায় সব জায়গায় আমাদের দেশে এখন পাওয়া যাচ্ছে|অনেকে হয়তো জানেন না এর গুনাগুন কত বা এই ফলটি যে কত পুষ্টি সমৃদ্ধ|তাই এই পোস্টে এই বসন্তের লোভনীয়, রসালো, সুন্দর, লাল রঙের, সুগন্ধী ও সুস্বাদু ফল স্ট্রবেরি নিয়ে আলোচনা করা হলো:-
স্ট্রবেরি কেন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে এত ভালো?
- বিভিন্ন রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল: আমাদের বয়সের সাথে সাথে ক্ষতিকর oxidants /free radicals এর প্রভাবে ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে শরীরের অনেক রোগ বাসা বাধে ও কোষের ও DNA এর ক্ষতি সাধন করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট এমন একটি উপাদান, যা এই free radicals ধ্বংশ করে, শরীরকে অকসিডেটিভ ধংশের হাত থেকে রক্ষা করে| এই ফলে প্রচুর স্বাস্থ্যকর phyto-nutrients, minerals ও vitamins আছে, যা স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যে খুবই দরকারী|
- এতে chemical compound– phenol আছে| Anthocyanin নামক একটি phenol এতে থাকার জন্যে এটি দেখতে টকটকে, সুন্দর লাল দেখায়| তাছাড়া আরো অনেক এন্টি-অক্সিডেন্ট এতে আছে, যেমন:ellagic acid, -benzoic acids, Hydroxy-cinnamic acids, Tannins, Stilbenes Flavonols, anthocyanins, terpenoids, phenolic acids,ইত্যাদি যা অনেক ফলে নেই|
- গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে এই ফলটি ৫০ টি খাবারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি খাবার এবং ফলের মধ্যে চতুর্থ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল|
- এতে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি, যেমন: ভিটামিন সি বা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট, ইত্যাদি আছে| আমাদের শরীরে প্রতিদিন অনেক ভিটামিন সির দরকার হয়, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| স্ট্রবেরির ভিটামিন সি শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায় ও কাজ করে| এক কাপ স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমনে ভিটামিন সি আছে, যা রক্ত চাপ কমানো ছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| তাছাড়া ভিটামিন সি মানসিক চাপ, প্রদাহ, ঠান্ডা লাগা, ক্ষতিকর free radicals, সংক্রমন, ইত্যাদি প্রতিরোধ করে|
- তাছাড়া এতে B-complex group এর ভিটামিন আছে: এতে vitamin B-6, niacin, riboflavin, pantothenic acid, folic acid ইত্যাদি B-complex group এর ভিটামিন আছে|এই ভিটামিনগুলো co-factors হিসাবে আমাদের শরীরে কাজ করে, যা শরীরের শর্করা আমিষ, ফ্যাট হজম করায় |এতে folate নামক B vitamin আছে, যা বিভিন্ন রকম ক্যান্সার ও জন্মগত ত্রুটি, যেমন: spina bifida প্রতিরোধ করে|
- স্ট্রবেরি তে vitamin A, vitamin E ও স্বাস্থ্য উন্নত করার উপাদান: flavonoid poly phenolic antioxidants, যেমন: lutein, zea-xanthin, ও beta-carotene অল্প পরিমানে আছে|এই যৌগ উপাদানগুলো oxygen-derived free radicals ও reactive oxygen species (ROS), যা শরীরে বার্ধক্য ও অসুখ আনে, তার বিরুদ্ধে কাজ করে|
- স্ট্রবেরিতে প্রচুর Manganese আছে: এক কাপ স্ট্রবেরিতে ২১% manganese আছে, যা শক্তিশালি antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান হিসাবে কাজ করে| Manganese free radicals এবং oxidative stress এর বিরুদ্ধে কাজ করে, cellular inflammation কমায়, যা অনেক cardiovascular disease এর কারণ| Manganese হাঁড়ের জন্যে ভালো, হাঁড় তৈরিতে সাহায্য করে, হাঁড়ের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে|
- তাছাড়া এর potassium, vitamin K, ও magnesium ও হাঁড়ের জন্যে ভালো| স্ট্রবেরিতে magnesium নামক mineral শরীরের শক্তি উতপন্ন করে, হাঁড় ও দাঁত শক্ত করে ও ঠিক রাখে|
- এর অন্যান্য minerals, যেমন: fluorine, copper, iron ও iodine,Copper রক্তের লোহিত কনিকা তৈরিতে দরকার হয়| Fluoride এর জন্য দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়|
- স্ট্রবেরি চোখের জন্যে ভালো: এতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, ভিটামিন সি আমাদের চোখের জন্যে খুবই ভালো, এটি চোখের রেটিনা ও কর্নিয়াকে শক্তিশালী করে, বৃদ্ধ বয়সে চোখে ছানি পড়া থেকে বাঁচায়|বৃদ্ধ বয়সে পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাবে, আমাদের চোখের বিভিন্ন রোগ, যেমন: drying up of eyes, degeneration of optical nerves, Macular degeneration, vision defects, ocular pressure( the pressure of the eyes.), infections ইত্যাদি হয়| vitamin-C, Flavonoids, Phenolic Phytochemicals, Elagic Acid, Potassium — যা এই ফলে পাওয়া যায়, তা এই চোখের রোগগুলো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
- স্ট্রবেরি একটি শক্তিশালী এন্টি ক্যান্সার ফল| কারণ এতে ellagic acid নামক একটি phytochemical/ phytonutrient আছে, যা ক্যানসারের কোষগুলোকে দমন করে| তাছাড়া এতে এন্টি-অক্সিডেন্ট– vitamin C, folate, lutein ও zeathancins আছে, flavonoids– quercetin ও kaempfero আছে|এগুলো free-radicals, যা আমাদের কোষকে নষ্ট করে ও ক্যান্সার হতে সাহায্য করে, তা ধ্বংস করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট ও anti-inflammatory উপাদানগুলো এই ফলে থাকার জন্যে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে| তাছাড়া flavonoids, যেমন: anthocyanins, quercetin এবং kaempferolও antioxidant, যা colon cancer cells, prostate , lung, tongue, mouth, mammary, esophageal ও breast cancer cells প্রতিরোধ করে| যেহেতু ক্রমাগত inflammation ও oxidative stress ( antioxidant /nutrients ও unsupported oxygen metabolism এর অভাবে) এর জন্যে ক্যান্সার হয়, তাই এই ফলে antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান থাকায় ক্যান্সার এর প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
- স্ট্রবেরি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় ও হার্ট সুস্থ্য রাখে| এর Ellagic acid ও flavonoids— নামক phytochemicals/এন্টি অক্সিডেন্ট রক্তের low-density lipoprotein, বা LDL—খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, যা arteries এর plaque সৃষ্টি করে|তাছাড়া এই এন্টি-অক্সিডেন্ট গুলো anti-inflammatory, যা হার্টের জন্যে ভালো|গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, স্ট্রবেরিতে–কোলেস্টরেল, কোষের oxidative damage, blood lipids কমানোর উপাদান আছে, যেগুলো হার্টের অসুখ ও ডায়বেটিস প্রতিরোধ করে| Folate নামক বি-ভিটামিন তার মধ্যে অন্যতম, যা coronary disease প্রতিরোধ করে| ভিটামিন সিও হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে| Antioxidants আমাদের cardiovascular system কে ঠিক রাখতে সাহায্য করে |
- স্ট্রবেরি রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে: স্ট্রবেরির polyphenols রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে, তাই যারা হেলদি লাইফস্টাইল মেনে চলেন ও যাদের ডায়বেটিস আছে, তারা এই ফলটি নিয়মিত খেতে পারেন|
- স্ট্রবেরি প্রদাহ বা inflammation কমায়: নানান রকম phytonutrients ছাড়াও এতে অনেক anti-inflammatory উপাদান আছে| এর inflammatory মাপক, যেমন: C-reactive protein (CRP) এর অনেক উন্নতি হয়, যদি সপ্তাহে কিছুদিন এই ফল এক কাপ করে খাওয়া হয়|অর্থাৎ নিয়মিত এই ফল খেলে নানান রকম গুরুতর প্রদাহ কমানো যাবে|
- স্ট্রবেরি জয়েন্টের প্রদাহ কমায়: এর antioxidants এবং phytochemicals জয়েন্টের প্রদাহ কমায়, যা আর্থ্রাইটিস এর মতো জয়েন্টের অসুখ প্রতিহত করে| Arthritis ও Gout: যেগুলো মাসেল ও টিসুর ক্ষয় করে, জয়েন্টের তরল পদার্থ শুকিয়ে ফেলে, এবং বর্জ্য পদার্থ, যেমন:acids (যেমন: uric acid) শরীরে জমা করে, এই অসুখগুলো সাধারনত শরীরে free radicals থাকলে হয়|স্ট্রবেরি এর anti-oxidants ও detoxifiers উপাদানের সাহায্যে এই সব বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়|
- তাছাড়া এর phenols অনেক inflammatory disorders, যেমন: osteoarthritis, Gout, asthma and atherosclerosis, এর বিরুদ্ধে কাজ করে, কারণ: এটি enzyme– cyclooxygenase (COX) নি:স্বরণ হতে দেয় না, যেভাবে ওষুধ-aspirin ও ibuprofen কাজ করে|কিন্তু এই ওষুধগুলোর অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে, যা স্ট্রবেরিতে নেই|
- স্ট্রবেরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: Potassium ও magnesium হচ্ছে রক্তচাপ কমানোর প্রধান পুষ্টি উপাদান, যা এই ফলে প্রচুর পাওয়া যায়| তাছাড়া potassium, মাসেল ও নার্ভ ঠিক মতো কাজ করতে সাহায্য করে, এবং শরীরে healthy electrolyte levels ও heart rate বজায় রাখে|
- স্ট্রবেরি ব্রেইন ও নার্ভের কার্যকারিতা বাড়ায়: বয়সের সাথে সাথে আমাদের ব্রেইন ও নার্ভের কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকে| এর vitamin-C ও phytochemicals এর জন্যে এই অঙ্গগুলো ঠিক থাকে|তাছাড়া এতে প্রচুর আয়োডিন থাকায় এটি ব্রেইন ও নার্ভকে ঠিক রাখে|
- স্ট্রবেরি উচ্চমাত্রার আঁশ সমৃদ্ধ ফল|আমাদের শরীরের প্রতিদিন আঁশ সমৃদ্ধ খাবার দরকার হয়, যাতে খাবার ঠিকভাবে হজম হয়|অন্যথায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্ষুদ্রান্ত্রের উপস্থলিপ্রদাহ, ইত্যাদি রোগ হতে পারে|আঁশ, টাইপ-২ ডায়বেটিসও প্রতিহত করে|তাছাড়া আঁশ রক্তের চিনি বা গ্লুকোস নিয়ন্ত্রণ করে|তাই ডায়বেটিস এর রোগীরা এই ফল পরিমিত পরিমানে খেতে পারবেন|
- স্ট্রবেরি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: শরীর সুস্থ্য রাখার এক মাত্র হাতিয়ার হচ্ছে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা|অন্যথায় ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ হয়ে শরীরের কল-কব্জা সব ধ্বংশ হয়ে যাবে|এই ফলটিতে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট নেই, চিনি ও লবনের পরিমাণও খুব কম|তাই হেলদি স্ন্যাক্স হিসাবে এটি খেতে পারেন|
- অন্ত্রের প্রদাহ কমায়: এতে salicylic acid নামক anti-inflammatory উপাদান digestion-aiding enzymes থাকার জন্যে এই ফলটি অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে ও হজম শক্তি বৃধ্বি করে|
- এটি ত্বকের সৌন্দর্য বৃধ্বি করে| এর ভিটামিন সি collagen সৃষ্টিতে সহায়তা করে, যা ত্বকের শিতিস্থাপকতা বাড়ায়, ফলে সহজে ত্বক বুড়িয়ে যায় না|
এক পরিবেশন স্ট্রবেরি : ৮ টি বড় মাপের অথবা এক কাপ স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য:
- এর ORAC value (oxygen radical absorbance capacity, যা anti-oxidant strength পরিমাপক) হচ্ছে—3577 µmol TE per 100 grams.
- California Strawberry Commission এর মতে এক কাপ স্ট্রবেরিতে দৈনিক চাহিদার ১৬০% ভিটামিন সি আছে এবং কমলার চাইতেও বেশি ভিটামিন সি এতে আছে
- এক কাপ স্ট্রবেরিতে থাকে ৪৬ ক্যালরি, দিনের ১৩% আঁশ এর চাহিদা বা ৩ গ্রাম আঁশ|কোন খাদ্যে কত ক্যালরি , খাদ্যের ক্যালরি মেপে খাওয়া সম্পর্কে জানুন|
- এই ফলকে বলা হয় সব ফলের মধ্যে হার্টের শ্রেষ্ঠ বন্ধু|
বসন্তের ফল স্ট্রবেরি: পুষ্টির শক্তিশালী আধার
বসন্তের ফল স্ট্রবেরি: পুষ্টির শক্তিশালী আধার
প্রিয় পাঠক, সবাইকে সালাম ও বসন্তের শুভেচ্ছা|সবাই কেমন আছেন?
বসন্তে প্রকৃতিতে অনেক রঙের সমাহার হয়|নানক রকম রঙ্গিন ফুল আমাদের মনকে রাঙিয়ে যায়|প্রকৃতি আমাদের এই রঙ্গিন ফুল দিয়ে মনের সৌন্দর্য বা ফিটনেস বাড়ায়|
আর শারীরিক ফিটনেসের জন্যে প্রকৃতি আনে একটি অত্যান্ত সুস্বাদু ও সুন্দর ফল—স্ট্রবেরি| অনেকে হয়তো ভাবছেন দেশীয় এত ফল থাকতে এই স্ট্রবেরির গুনাগুন কেন? এই স্ট্রবেরি ফলটি বিদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হেলদি ফল|কারণ এই ফলটি নি:সন্দেহে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে অনেক ভালো| তাছাড়া অনেক খাবারেই এটি ব্যবহৃত হয়|
দেশে এখন স্ট্রবেরির চাষ হচ্ছে| তাই এই বসন্তে এটি প্রায় সব জায়গায় আমাদের দেশে এখন পাওয়া যাচ্ছে|অনেকে হয়তো জানেন না এর গুনাগুন কত বা এই ফলটি যে কত পুষ্টি সমৃদ্ধ|তাই এই পোস্টে এই বসন্তের লোভনীয়, রসালো, সুন্দর, লাল রঙের, সুগন্ধী ও সুস্বাদু ফল স্ট্রবেরি নিয়ে আলোচনা করা হলো:-
স্ট্রবেরি কেন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে এত ভালো?
- বিভিন্ন রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল: আমাদের বয়সের সাথে সাথে ক্ষতিকর oxidants /free radicals এর প্রভাবে ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে শরীরের অনেক রোগ বাসা বাধে ও কোষের ও DNA এর ক্ষতি সাধন করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট এমন একটি উপাদান, যা এই free radicals ধ্বংশ করে, শরীরকে অকসিডেটিভ ধংশের হাত থেকে রক্ষা করে| এই ফলে প্রচুর স্বাস্থ্যকর phyto-nutrients, minerals ও vitamins আছে, যা স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যে খুবই দরকারী|
- এতে chemical compound– phenol আছে| Anthocyanin নামক একটি phenol এতে থাকার জন্যে এটি দেখতে টকটকে, সুন্দর লাল দেখায়| তাছাড়া আরো অনেক এন্টি-অক্সিডেন্ট এতে আছে, যেমন:ellagic acid, -benzoic acids, Hydroxy-cinnamic acids, Tannins, Stilbenes Flavonols, anthocyanins, terpenoids, phenolic acids,ইত্যাদি যা অনেক ফলে নেই|
- গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে এই ফলটি ৫০ টি খাবারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি খাবার এবং ফলের মধ্যে চতুর্থ এন্টি-অক্সিডেন্ট এ পরিপূর্ণ একটি ফল|
- এতে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি, যেমন: ভিটামিন সি বা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট, ইত্যাদি আছে| আমাদের শরীরে প্রতিদিন অনেক ভিটামিন সির দরকার হয়, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| স্ট্রবেরির ভিটামিন সি শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায় ও কাজ করে| এক কাপ স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমনে ভিটামিন সি আছে, যা রক্ত চাপ কমানো ছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| তাছাড়া ভিটামিন সি মানসিক চাপ, প্রদাহ, ঠান্ডা লাগা, ক্ষতিকর free radicals, সংক্রমন, ইত্যাদি প্রতিরোধ করে|
- তাছাড়া এতে B-complex group এর ভিটামিন আছে: এতে vitamin B-6, niacin, riboflavin, pantothenic acid, folic acid ইত্যাদি B-complex group এর ভিটামিন আছে|এই ভিটামিনগুলো co-factors হিসাবে আমাদের শরীরে কাজ করে, যা শরীরের শর্করা আমিষ, ফ্যাট হজম করায় |এতে folate নামক B vitamin আছে, যা বিভিন্ন রকম ক্যান্সার ও জন্মগত ত্রুটি, যেমন: spina bifida প্রতিরোধ করে|
- স্ট্রবেরি তে vitamin A, vitamin E ও স্বাস্থ্য উন্নত করার উপাদান: flavonoid poly phenolic antioxidants, যেমন: lutein, zea-xanthin, ও beta-carotene অল্প পরিমানে আছে|এই যৌগ উপাদানগুলো oxygen-derived free radicals ও reactive oxygen species (ROS), যা শরীরে বার্ধক্য ও অসুখ আনে, তার বিরুদ্ধে কাজ করে|
- স্ট্রবেরিতে প্রচুর Manganese আছে: এক কাপ স্ট্রবেরিতে ২১% manganese আছে, যা শক্তিশালি antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান হিসাবে কাজ করে| Manganese free radicals এবং oxidative stress এর বিরুদ্ধে কাজ করে, cellular inflammation কমায়, যা অনেক cardiovascular disease এর কারণ| Manganese হাঁড়ের জন্যে ভালো, হাঁড় তৈরিতে সাহায্য করে, হাঁড়ের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে|
- তাছাড়া এর potassium, vitamin K, ও magnesium ও হাঁড়ের জন্যে ভালো| স্ট্রবেরিতে magnesium নামক mineral শরীরের শক্তি উতপন্ন করে, হাঁড় ও দাঁত শক্ত করে ও ঠিক রাখে|
- এর অন্যান্য minerals, যেমন: fluorine, copper, iron ও iodine,Copper রক্তের লোহিত কনিকা তৈরিতে দরকার হয়| Fluoride এর জন্য দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়|
- স্ট্রবেরি চোখের জন্যে ভালো: এতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, ভিটামিন সি আমাদের চোখের জন্যে খুবই ভালো, এটি চোখের রেটিনা ও কর্নিয়াকে শক্তিশালী করে, বৃদ্ধ বয়সে চোখে ছানি পড়া থেকে বাঁচায়|বৃদ্ধ বয়সে পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাবে, আমাদের চোখের বিভিন্ন রোগ, যেমন: drying up of eyes, degeneration of optical nerves, Macular degeneration, vision defects, ocular pressure( the pressure of the eyes.), infections ইত্যাদি হয়| vitamin-C, Flavonoids, Phenolic Phytochemicals, Elagic Acid, Potassium — যা এই ফলে পাওয়া যায়, তা এই চোখের রোগগুলো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
- স্ট্রবেরি একটি শক্তিশালী এন্টি ক্যান্সার ফল| কারণ এতে ellagic acid নামক একটি phytochemical/ phytonutrient আছে, যা ক্যানসারের কোষগুলোকে দমন করে| তাছাড়া এতে এন্টি-অক্সিডেন্ট– vitamin C, folate, lutein ও zeathancins আছে, flavonoids– quercetin ও kaempfero আছে|এগুলো free-radicals, যা আমাদের কোষকে নষ্ট করে ও ক্যান্সার হতে সাহায্য করে, তা ধ্বংস করে| এন্টি-অক্সিডেন্ট ও anti-inflammatory উপাদানগুলো এই ফলে থাকার জন্যে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে| তাছাড়া flavonoids, যেমন: anthocyanins, quercetin এবং kaempferolও antioxidant, যা colon cancer cells, prostate , lung, tongue, mouth, mammary, esophageal ও breast cancer cells প্রতিরোধ করে| যেহেতু ক্রমাগত inflammation ও oxidative stress ( antioxidant /nutrients ও unsupported oxygen metabolism এর অভাবে) এর জন্যে ক্যান্সার হয়, তাই এই ফলে antioxidant ও anti-inflammatory উপাদান থাকায় ক্যান্সার এর প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে|
- স্ট্রবেরি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় ও হার্ট সুস্থ্য রাখে| এর Ellagic acid ও flavonoids— নামক phytochemicals/এন্টি অক্সিডেন্ট রক্তের low-density lipoprotein, বা LDL—খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, যা arteries এর plaque সৃষ্টি করে|তাছাড়া এই এন্টি-অক্সিডেন্ট গুলো anti-inflammatory, যা হার্টের জন্যে ভালো|গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে, স্ট্রবেরিতে–কোলেস্টরেল, কোষের oxidative damage, blood lipids কমানোর উপাদান আছে, যেগুলো হার্টের অসুখ ও ডায়বেটিস প্রতিরোধ করে| Folate নামক বি-ভিটামিন তার মধ্যে অন্যতম, যা coronary disease প্রতিরোধ করে| ভিটামিন সিও হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে| Antioxidants আমাদের cardiovascular system কে ঠিক রাখতে সাহায্য করে |
- স্ট্রবেরি রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে: স্ট্রবেরির polyphenols রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করে, তাই যারা হেলদি লাইফস্টাইল মেনে চলেন ও যাদের ডায়বেটিস আছে, তারা এই ফলটি নিয়মিত খেতে পারেন|
- স্ট্রবেরি প্রদাহ বা inflammation কমায়: নানান রকম phytonutrients ছাড়াও এতে অনেক anti-inflammatory উপাদান আছে| এর inflammatory মাপক, যেমন: C-reactive protein (CRP) এর অনেক উন্নতি হয়, যদি সপ্তাহে কিছুদিন এই ফল এক কাপ করে খাওয়া হয়|অর্থাৎ নিয়মিত এই ফল খেলে নানান রকম গুরুতর প্রদাহ কমানো যাবে|
- স্ট্রবেরি জয়েন্টের প্রদাহ কমায়: এর antioxidants এবং phytochemicals জয়েন্টের প্রদাহ কমায়, যা আর্থ্রাইটিস এর মতো জয়েন্টের অসুখ প্রতিহত করে| Arthritis ও Gout: যেগুলো মাসেল ও টিসুর ক্ষয় করে, জয়েন্টের তরল পদার্থ শুকিয়ে ফেলে, এবং বর্জ্য পদার্থ, যেমন:acids (যেমন: uric acid) শরীরে জমা করে, এই অসুখগুলো সাধারনত শরীরে free radicals থাকলে হয়|স্ট্রবেরি এর anti-oxidants ও detoxifiers উপাদানের সাহায্যে এই সব বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়|
- তাছাড়া এর phenols অনেক inflammatory disorders, যেমন: osteoarthritis, Gout, asthma and atherosclerosis, এর বিরুদ্ধে কাজ করে, কারণ: এটি enzyme– cyclooxygenase (COX) নি:স্বরণ হতে দেয় না, যেভাবে ওষুধ-aspirin ও ibuprofen কাজ করে|কিন্তু এই ওষুধগুলোর অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে, যা স্ট্রবেরিতে নেই|
- স্ট্রবেরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: Potassium ও magnesium হচ্ছে রক্তচাপ কমানোর প্রধান পুষ্টি উপাদান, যা এই ফলে প্রচুর পাওয়া যায়| তাছাড়া potassium, মাসেল ও নার্ভ ঠিক মতো কাজ করতে সাহায্য করে, এবং শরীরে healthy electrolyte levels ও heart rate বজায় রাখে|
- স্ট্রবেরি ব্রেইন ও নার্ভের কার্যকারিতা বাড়ায়: বয়সের সাথে সাথে আমাদের ব্রেইন ও নার্ভের কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকে| এর vitamin-C ও phytochemicals এর জন্যে এই অঙ্গগুলো ঠিক থাকে|তাছাড়া এতে প্রচুর আয়োডিন থাকায় এটি ব্রেইন ও নার্ভকে ঠিক রাখে|
- স্ট্রবেরি উচ্চমাত্রার আঁশ সমৃদ্ধ ফল|আমাদের শরীরের প্রতিদিন আঁশ সমৃদ্ধ খাবার দরকার হয়, যাতে খাবার ঠিকভাবে হজম হয়|অন্যথায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্ষুদ্রান্ত্রের উপস্থলিপ্রদাহ, ইত্যাদি রোগ হতে পারে|আঁশ, টাইপ-২ ডায়বেটিসও প্রতিহত করে|তাছাড়া আঁশ রক্তের চিনি বা গ্লুকোস নিয়ন্ত্রণ করে|তাই ডায়বেটিস এর রোগীরা এই ফল পরিমিত পরিমানে খেতে পারবেন|
- স্ট্রবেরি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: শরীর সুস্থ্য রাখার এক মাত্র হাতিয়ার হচ্ছে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা|অন্যথায় ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ হয়ে শরীরের কল-কব্জা সব ধ্বংশ হয়ে যাবে|এই ফলটিতে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট নেই, চিনি ও লবনের পরিমাণও খুব কম|তাই হেলদি স্ন্যাক্স হিসাবে এটি খেতে পারেন|
- অন্ত্রের প্রদাহ কমায়: এতে salicylic acid নামক anti-inflammatory উপাদান digestion-aiding enzymes থাকার জন্যে এই ফলটি অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে ও হজম শক্তি বৃধ্বি করে|
- এটি ত্বকের সৌন্দর্য বৃধ্বি করে| এর ভিটামিন সি collagen সৃষ্টিতে সহায়তা করে, যা ত্বকের শিতিস্থাপকতা বাড়ায়, ফলে সহজে ত্বক বুড়িয়ে যায় না|
এক পরিবেশন স্ট্রবেরি : ৮ টি বড় মাপের অথবা এক কাপ স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য:
- এর ORAC value (oxygen radical absorbance capacity, যা anti-oxidant strength পরিমাপক) হচ্ছে—3577 µmol TE per 100 grams.
- California Strawberry Commission এর মতে এক কাপ স্ট্রবেরিতে দৈনিক চাহিদার ১৬০% ভিটামিন সি আছে এবং কমলার চাইতেও বেশি ভিটামিন সি এতে আছে
- এক কাপ স্ট্রবেরিতে থাকে ৪৬ ক্যালরি, দিনের ১৩% আঁশ এর চাহিদা বা ৩ গ্রাম আঁশ|কোন খাদ্যে কত ক্যালরি , খাদ্যের ক্যালরি মেপে খাওয়া সম্পর্কে জানুন|
- এই ফলকে বলা হয় সব ফলের মধ্যে হার্টের শ্রেষ্ঠ বন্ধু|
আমলকী এক ধরনের ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম ‘আমালিকা’। একজন মানুষ
যদি প্রতিদিন ৬ দশমিক ৫ গ্রাম আমলকী খান, তবে অনেক রোগ থেকেই মুক্ত থাকতে
পারবেন।আমলকীর রস মধু দিয়ে খেলে চোখের বিভিন্ন ধরনের অসুখ ভালো হয়ে যায়, যেমন : কনজাংটিভ, গ্লুকোমা ইত্যাদি। এর মধ্যে ক্রমিয়াম রয়েছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী। আমলকী হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পেশি শক্ত ও নমনীয় করতেও সাহায্য করে। আমলকী বয়সের বলিরেখা পড়তে দেয় না। এমনকি ক্যানসার প্রতিরোধেও বেশ সহায়ক এই আমলকী। এটি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে।
আমলকীতে সলিউবল ফাইবার থাকে। এটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং হজমে সাহায্য করে।
আমলকীর সবচেয়ে বড় অবদান চুলের জন্য। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকী খেলে টাক মাথায় নতুন করে চুল গজায়। এটি চুল পাকা, চুল পড়া রোধ করে এবং চুলে চকচকে ভাব নিয়ে আসে। নিয়মিত আমলকী খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁতের বিভিন্ন অসুখ দূর করতেও আমলকী কাজ করে।
এ ছাড়া আমলকী আরো কিছু অসুখ রোধে সাহায্য করে। যেমন—
অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত : অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত সারাতে আমলকী বেশ কার্যকর। এটি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। কিডনির রোগ সারাতেও কাজ করে।
লিভার ও জন্ডিস : আমলকী বিভিন্ন ধরনের লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি জন্ডিস ভালো করতেও বেশ উপকারী।
রোদে পোড়া দাগ : রোদে পোড়া দাগ দূর করতে আমলকী খেতে পারেন। এটি সানস্ট্রোক থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় এটি বেশ উপকারী।
সর্দি-কাশি : দীর্ঘমেয়াদি সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে আমলকী বেশ উপকারী। মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতেও এটি খাওয়া যেতে পারে ।
আমলকী খেলে কী হয়
আমলকী এক ধরনের ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম ‘আমালিকা’। একজন মানুষ
যদি প্রতিদিন ৬ দশমিক ৫ গ্রাম আমলকী খান, তবে অনেক রোগ থেকেই মুক্ত থাকতে
পারবেন।আমলকীর রস মধু দিয়ে খেলে চোখের বিভিন্ন ধরনের অসুখ ভালো হয়ে যায়, যেমন : কনজাংটিভ, গ্লুকোমা ইত্যাদি। এর মধ্যে ক্রমিয়াম রয়েছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী। আমলকী হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া পেশি শক্ত ও নমনীয় করতেও সাহায্য করে। আমলকী বয়সের বলিরেখা পড়তে দেয় না। এমনকি ক্যানসার প্রতিরোধেও বেশ সহায়ক এই আমলকী। এটি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে।
আমলকীতে সলিউবল ফাইবার থাকে। এটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং হজমে সাহায্য করে।
আমলকীর সবচেয়ে বড় অবদান চুলের জন্য। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকী খেলে টাক মাথায় নতুন করে চুল গজায়। এটি চুল পাকা, চুল পড়া রোধ করে এবং চুলে চকচকে ভাব নিয়ে আসে। নিয়মিত আমলকী খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। দাঁতের বিভিন্ন অসুখ দূর করতেও আমলকী কাজ করে।
এ ছাড়া আমলকী আরো কিছু অসুখ রোধে সাহায্য করে। যেমন—
অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত : অগ্ন্যাশয়ের ক্ষত সারাতে আমলকী বেশ কার্যকর। এটি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। কিডনির রোগ সারাতেও কাজ করে।
লিভার ও জন্ডিস : আমলকী বিভিন্ন ধরনের লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি জন্ডিস ভালো করতেও বেশ উপকারী।
রোদে পোড়া দাগ : রোদে পোড়া দাগ দূর করতে আমলকী খেতে পারেন। এটি সানস্ট্রোক থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় এটি বেশ উপকারী।
সর্দি-কাশি : দীর্ঘমেয়াদি সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে আমলকী বেশ উপকারী। মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতেও এটি খাওয়া যেতে পারে ।
flavor- Welcome to the taste of happiness.Cheer up your cold winter days with MyPot Hot and Spicy chicken curry
Cheer up your cold winter days with mypot hot and hot curry chicken flavor - welcome to the taste of happiness.
Cheer up your cold winter days with MyPot Hot and Spicy chicken curry flavor- Welcome to the taste of happiness.
Cheer up your cold winter days with MyPot Hot and Spicy chicken curry flavor- Welcome to the taste of happiness.
Cheer up your cold winter days with MyPot Hot and Spicy chicken curry
flavor- Welcome to the taste of happiness.Cheer up your cold winter days with MyPot Hot and Spicy chicken curry
Cheer up your cold winter days with mypot hot and hot curry chicken flavor - welcome to the taste of happiness.
Cheer up your cold winter days with MyPot Hot and Spicy chicken curry flavor- Welcome to the taste of happiness.
Cheer up your cold winter days with MyPot Hot and Spicy chicken curry flavor- Welcome to the taste of happiness.
Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion and carrot. Cook for a few more minutes.
Step 2Preheat oven to 180°C. Add all tomatoes, stock powder, sugar and wine to mince and heat through. Bring to the boil and simmer for 10 minutes. Drain pasta and place in an ovenproof dish with mince.
Step 3Spoon yoghurt over bake. Sprinkle with cheese and breadcrumbs and bake at for 20-25 minutes until golden brown. Garnish with fresh parsley if you prefer.and carrot. Cook for a few more minutes.
Step 2Preheat oven to 180°C. Add all tomatoes, stock powder, sugar and wine to mince and heat through. Bring to the boil and simmer for 10 minutes. Drain pasta and place in an ovenproof dish with mince.
Step 3Spoon yoghurt over bake. Sprinkle with cheese and breadcrumbs and bake at for 20-25 minutes until golden brown. Garnish with fresh parsley if you prefer.
Step 1Cook pasta
Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion and carrot. Cook for a few more minutes.
Step 2Preheat oven to 180°C. Add all tomatoes, stock powder, sugar and wine to mince and heat through. Bring to the boil and simmer for 10 minutes. Drain pasta and place in an ovenproof dish with mince.
Step 3Spoon yoghurt over bake. Sprinkle with cheese and breadcrumbs and bake at for 20-25 minutes until golden brown. Garnish with fresh parsley if you prefer.and carrot. Cook for a few more minutes.
Step 2Preheat oven to 180°C. Add all tomatoes, stock powder, sugar and wine to mince and heat through. Bring to the boil and simmer for 10 minutes. Drain pasta and place in an ovenproof dish with mince.
Step 3Spoon yoghurt over bake. Sprinkle with cheese and breadcrumbs and bake at for 20-25 minutes until golden brown. Garnish with fresh parsley if you prefer.
Instructions
Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion and carrot. Cook for a few more minutes.
Step 2Preheat oven to 180°C. Add all tomatoes, stock powder, sugar and wine to mince and heat through. Bring to the boil and simmer for 10 minutes. Drain pasta and place in an ovenproof dish with mince.
Step 3Spoon yoghurt over bake. Sprinkle with cheese and breadcrumbs and bake at for 20-25 minutes until golden brown. Garnish with fresh parsley if you prefer.
good food
Instructions
Step 1Cook pasta following packet directions. Brown mince in a non-stick pan with oil spray, garlic and basil. Add mushrooms, onion and carrot. Cook for a few more minutes.
Step 2Preheat oven to 180°C. Add all tomatoes, stock powder, sugar and wine to mince and heat through. Bring to the boil and simmer for 10 minutes. Drain pasta and place in an ovenproof dish with mince.
Step 3Spoon yoghurt over bake. Sprinkle with cheese and breadcrumbs and bake at for 20-25 minutes until golden brown. Garnish with fresh parsley if you prefer.
You probably know all about the health benefits of eating like a Greek islander. Research has proven the Mediterranean diet can do wonders for your […]
healty food
You probably know all about the health benefits of eating like a Greek islander. Research has proven the Mediterranean diet can do wonders for your […]
Subscribe to:
Comments (Atom)














